Fire

দুর্ঘটনা এড়াতে মালিকদের বেশি সজাগ হতে হবে : ব্রিগেডিয়ার আলী আহমদ খান

প্রকাশিত :২১.০৮.২০১৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ

৮ আগস্ট শুক্রবার দিবাগত রাতে গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ২৪ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চেষ্টার পরে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। বলা হচ্ছে, কারখানাটিতে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার ছিলো। তাহলে এরকম দুর্ঘটনা কিভাবে ঘটলো?
বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নের জবাবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার আলী আহমদ খান বলেন, যদিও বর্তমানে বিভিন্ন কারখানাতে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তবে, এই কারখানাটির কিছু দুর্বলতা ছিলো। কারখানাটি নির্মাণাধীন ভবন হওয়ার ফলে ফায়ার সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট পুরোপুরি সংযোজন হয়নি। এমনকি ফায়ার ডোরও লাগানো হয়নি। তারা এটিকে ওয়্যার হাউস হিসেবে ব্যবহার করছিলো।
এ ধরণের বড় দুর্ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না কেন? মূলত দুর্বলতাগুলো কোথায়?
জবাবে তিনি বলেন, একটি কারখানাতে যেমন মালিক পক্ষের সতর্কতা থাকে তেমনি সরকারের পক্ষ থেকে আমারা রেগুলেটরি বডি হিসেবে কাজ করি। আমরা বিভিন্নভাবে তাদেরকে প্রেসার দিয়ে কাজ করিয়ে থাকি। তাদেরও নিজেস্ব কিছু দায়িত্ব আছে। কোন কারখানাতে কোন দুর্ঘটনা ঘটার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত ফায়ার ফাইটিংয়ের ক্যাপাসিটি থাকতে হবে। তারপরে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস আসবে।’
তিনি বলেন, ‘কারখানার দায়িত্বে যারা আছে তাদের কিছু গাফলতির কারণে এরকম দুর্ঘটনা ঘটছে। তবুও আমাদের চেষ্টা অব্যহত আছে। তবে, দুর্ঘটনা এড়াতে কারখানার মালিকদের আরো বেশি সজাগ হতে হবে।’
সূত্র: বিবিসি বাংলা।