1458737944

সিফাত হত্যা মামলা: রায়ে অসন্তুষ্ট পরিবার

প্রকাশিত :০৪.০৩.২০১৭, ৭:২৩ অপরাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক ছাত্রী ওয়াহিদা সিফাত হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। তারা বলছেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী সিফাতকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু সাজা হয়েছে আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে। শিগগিরই এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। শনিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিফাতের স্বজনেরা এসব কথা বলেন।

২০১৫ সালের ২৯ মার্চ সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগরের মহিষবাথান এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে সিফাতের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। পরদিন সিফাতের চাচা মিজানুর রহমান খন্দকার রাজপাড়া থানায় হত্যা মামলা করেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক জোবাইদুর রহমানের করা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয় সিফাত আত্মহত্যা করেছেন। প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেন সিফাতের পরিবার। আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তিনজন চিকিৎসক। দ্বিতীয় দফার ময়নাতদন্তে সিফাতকে হত্যা করা হয়েছ বলে উল্লেখ করা হয়। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২৩ মার্চ সিফাতের স্বামী মা. আসিফ, আসিফের বাবা মোহাম্মদ রমজান, মা নাজমুন নাহার ও প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জোবাইদুর রহমানর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আহম্মেদ আলী।

সংবাদ সম্মেলনে সিফাতের বাবা আমিনুল ইসলাম খন্দকার বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি ঢাকায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এ স্থানান্তরিত হয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালতের রায়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে সিফাতের স্বামী আসিফকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে নাম আসা অন্য তিন আসামি খালাস পান। তাঁর দাবি, তিনি ন্যায়বিচার পাননি। হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে বিচার হয়েছ। তিনি বলেন, ‘আমরা এ রায়ে সংক্ষুব্ধ, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।’

সংবাদ সম্মেলনে সিফাতের ছোট ভাই কে এম আসিফ-উল-ইসলাম ও এই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনেরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : প্রথম আলো