egg

আসল ডিম নকল ডিম

প্রকাশিত :০৫.০৪.২০১৭, ৫:৩১ অপরাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক: ডিম অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি খাবার। এছাড়া এটি খুব সস্তা ও সহজলভ্য। কিন্তু ‌যে ডিম খাচ্ছেন তা আসল কী? কী করে বুঝবেন? সত্যিই কি বাইরে থেকে চেনা সম্ভব আসল ও প্লাস্টিকের ডিম? আসল ডিমের সঙ্গে প্লাস্টিক ডিমের পার্থক্য সহজে বোঝা যায় না। তবে একটু সাবধান হলে সহজে নকল ডিম ধরা যায়।

-কৃত্রিম ডিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। এর খোসা অল্প চাপেই ভেঙে যায়।

-এই ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়।

-ভাঙার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে খানিকটা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় পুরো কুসুমটাই নষ্ট ডিমের মত ছড়ানো থাকে।

-কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড়

-এর খোলস খুব মসৃণ হয়। খোসায় প্রায়ই বিন্দু বিন্দু ফুটকি দাগ দেখা যায়।

-রান্না করার পর এই ডিমে অনেক সময় বাজে গন্ধ হয়। কিংবা গন্ধ ছাড়া থাকে। আসল কুসুমের গন্ধ পাওয়া যায় না।

-নকল ডিমকে যদি আপনি সাবান বা অন্য কোন তীব্র গন্ধ যুক্ত বস্তুর সাথে রাখেন, ডিমের মাঝে সেই গন্ধ ঢুকে যায়। রান্নার পরেও ডিম থেকে সাবানের গন্ধই পেতে থাকবেন।

-নকল ডিমের আরেকটি উল্লেখ্য যোগ্য লক্ষণ হলো ডিম দিয়ে তৈরি খাবারে এটা ডিমের কাজ করে না। যেমন পুডিং বা কাবাবে ডিম দিলেন বাইনডার হিসাবে। কিন্তু রান্নার পর দেখবেন কাবাব ফেটে যাবে, পুডিং জমবে না।

-নকল ডিমের আকৃতি অন্য ডিমের তুলনায় তুলনামূলক লম্বাটে ধরণের হয়ে থাকে।

-নকল ডিমের কুসুমের চারপাশে রাসায়নিকের পর্দা থাকে বিধায় অক্ষত কুসুম পাওয়া গেলে সেই কুসুম কাঁচা কিংবা রান্না অবস্থাতে সহজে ভাঙতে চায় না।

-সাধারণ ডিমের চেয়ে এই প্লাস্টিকের ডিম বেশি ঝকঝকে।

-ডিম ভাঙার পর সাদা অংশ ও কুসুম এক হয়ে যায়।

-এর খোলস বেশি শক্ত। খোলের ভেতর রাবারের মতো লাইন থাকে।

-ডিম ঝাঁকালে পানি গড়ানোর মতো শব্দ হয়।

-আসল ডিম ভাঙলে মুড়মুড়ে শব্দ হয়। কিন্তু প্লাস্টিকের ডিমে তেমন শব্দ হয় না।

-আসল ডিম ভেঙে রেখে দিলে পিঁপড়া বা পোকামাকড় আসে। কিন্তু নকল ডিমে পোকামাকড় আসে না।

-নকল ডিম ভাজার সময়ে এর হলুদ অংশ না স্পর্শ করলেও ছেতরে যায়।