সাযযাদ কাদির
sazzad kadir

চলে গেলেন কবি-সাংবাদিক সাযযাদ কাদির

প্রকাশিত :০৬.০৪.২০১৭, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ

আজাদ সিরাজী: সাযযাদ কাদির আর নেই (ইন্না লিল্লাহি…)। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে এই বহুমাত্রিক লেখক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক, কবি, সাংবাদিক রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

কবির ছেলে সাদ্দাম কাদির মৃত্যুর খবরটি গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিকেল ৫টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪৭ সালের ১৪ই এপ্রিল টাঙ্গাইল জেলার মিরের বেতকা গ্রামে তার মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।

তার পৈতৃক নিবাস টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলায়।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭০ বছর।

সাযযাদ কাদির ১৯৬২ সালে বিন্দুবাসিনী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭০ সালে একই বিষয়ে অর্জন করেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রী।

১৯৭২ সালে তিনি কর্মজীবন শূরু করেন নিজ জেলা টাঙ্গাইলের করাটিয়া সাদাত কলেজে শিক্ষকতার মাধ্যমে।

১৯৭৬ সালে কলেজের চাকুরী ত্যাগ করে সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকায় যোগদানের মাধ্যমে সাংবাদিকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করেন ।

১৯৭৮ সালে যোগ দেন রেডিও বেইজিং-এ ।

১৯৮০ সালে রেডিও বেইজিং-এর চাকুরী ছেড়ে দেন। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় যুক্ত ছিলেন।

১৯৮৫ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত কাজ করেন আগামী-তারকালোক পত্রিকায়। এরপর কিছুদিন কাজ করেন দৈনিক দিনকালে।

১৯৯৫ সালে যোগ দেন বাংলাদেশ প্রেস ইনিস্টিটিউটে। সেখানে ইস্তফা দিয়ে ২০০৪ সালে যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব নেন থেকে দৈনিক মানবজমিনের।

দীর্ঘ শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতা জীবনে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ-গবেষণা, শিশুতোষ, সম্পাদনা, সঙ্কলন, অনুবাদ সহ বিভিন্ন বিষয়ে ৬০টির বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন সাজ্জাদ কবির।

সম্মাননা হিসেবে পেয়েছেন বহু পুরস্কার ও সনদপত্র।

পশ্চিমবঙ্গের নাথ সাহিত্য ও কৃষ্টি কেন্দ্রিক সাহিত্য-পত্রিকা ‘শৈবভারতী’র ৩৪তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রবন্ধ সাহিত্যে সাযযাদ কাদিরকে শৈবভারতী পুরস্কারে ভূষিত করে।