kader a

তিস্তা চুক্তি সময়ের ব্যাপার: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত :০৭.০৪.২০১৭, ৬:১৬ অপরাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক : ভারতের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি এখন সময়ের ব্যাপার বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিস্তা চুক্তি হওয়া না হওয়া নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতে ব্যাপক আলোচনা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের মধ্যে শুক্রবার গাজীপুরে এ মন্তব্য করলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

শেখ হাসিনার এই সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রায় তিন ডজন চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে আটকে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে এখনও কোনো অগ্রগতি নেই।

দুপুরে গাজীপুর সদরের রাজেন্দ্রপুরে কাদের বলেন, ভারতের সাথে গঙ্গা চুক্তি হয়েছে, তিস্তা চুক্তিও হবে। তিস্তা চুক্তি এখন সময়ের ব্যাপার। এতে যেহেতু রাজ্যের বিষয় রয়েছে।

“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিল্লী সফরে গেছেন। দিল্লীতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও থাকছেন। সেখানে তিস্তা ও অভিন্ন নদী নিয়ে আলোচনার আরও অগ্রগতি হবে।”

এ সময় তিনি ভারতের সঙ্গে ছিলমহল বিনিময় হওয়ার কথা এবং বাংলাদেশ অংশের ৩৫টি বিলুপ্ত ছিটমহলে ইউপি নির্বাচন হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

রাজেন্দ্রপুরে সড়ক ও জনপথের পরিদর্শন বাংলো ‘বন বিলাস’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সেতুমন্ত্রী।

“ভারত আমাদের দুঃসময়ের বন্ধু। ভারত বিদ্বেষী প্রচারণা করে, ভারত বিরোধী প্রপাগান্ডা করে ভারতের কাছ থেকে প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের ন্যায্য পাওনা পাওয়া যাবে না।”
ভারতের সঙ্গে মাঝে ২১ বছর বাংলাদেশের সম্পর্ক খারাপ পর্যায়ে ছিল বলে উল্লেখ করে কাদের বলেন, অবিশ্বাস আর সন্দেহের দেয়াল উঠেছিল। সম্পর্ক খারাপ রেখে কোনো ন্যায্য পাওনা পাওয়া যায় না।

“আমরা মনে করি, সুসম্পর্কটা বজায় রেখেই আমাদের ন্যায্য পাওয়া বুঝে নিতে হবে। ভারতের সাথে যুদ্ধ করে, ভারতের সাথে বৈরিতা করে আমরা আমাদের ন্যায্য কিছু পাব না। আমরা যেহেতু আমাদের বন্ধুতের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। যে কারণে ৪১ বছরে ভারতের সাথে আমাদের সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হয়েছে।”

এটা একটা কঠিন কাজ ছিল, চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিএনপি মহাসচিবের র‌্যাব বিলুপ্তির সম্পর্কিত বক্তব্যের সমালোচনা করে সেতুমন্ত্রী বলেন, র‌্যাব বিএনপির সৃষ্টি। স্বার্থে লাগলে নিজেদের সৃষ্ট সন্তানদের প্রতিও মায়া থাকছে না।

“আমার কাছে মনে হয়, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে র‌্যাবের কিছু সাহসী অভিযান এবং ভূমিকা বিএনপির গাত্রদাহের কারণ।”

এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল ছিদ্দিকুর রহমান সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেখার আনিস, সওজ-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্পের পরিচালক ছানাউল হক, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিজাম উদ্দিন আহমদ, প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর মিজানুর রহমান ফকির, গাজীপুর সওজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী খায়রুল বাশার মো. সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।