naim-ashraf

বনানীতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন নাঈম আশরাফ

প্রকাশিত :১৮.০৫.২০১৭, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক : দুই তরুণী ধর্ষণের মামলার অন্যতম আসামি নাঈম আশরাফ ওরফে মো. আব্দুল হালিম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের

কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে গতকাল বুধবার রাতে নাঈম আশরাফকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এ গ্রেপ্তারের পর আজ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে আনা হয়।

বেশ কয়েকদিন ধরে নাঈম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম সক্রিয় ছিলেন। তবে এর আগে গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি সামাজিক মাধ্যমগুলো ডি-অ্যাক্টিভ করেন।

জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে নিয়ে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের অভিযোগ এনে গত ৬ মে বনানী থানায় একটি মামলা করেন দুই তরুণী।

মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

আসামিরা হলেন- আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক

বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ সাফাত আহমেদের জন্মদিনের দাওয়াত দিয়ে তাদের বনানীর ‘কে ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে

রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম।

এ ঘটনায় সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয় বলেও উল্লেখ করা হয় এজাহারে। এছাড়া অন্য দুইজন এই কাজে সহযোগিতা

করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার পাঁচদিন পর ১১ মে রাতে সিলেট থেকে প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান সাকিফকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য

রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এরপর গত সোমবার মামলার আরও দুই আসামি সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী রহমত

আলীকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব ও ডিবি। পরে তাদেরও রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। মামলার আরেক আসামি নাঈম আশরাফকে

গ্রেপ্তারে অভিযান চালানোর পর গতরাতে তাকে মুন্সীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ সদর দপ্তর ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের হালিম ঢাকায় নাঈম আশরাফ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা

চালাচ্ছিলেন বলে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর প্রকাশ পায়।

 

আ-সা/ছামিউল/জাতীয়