আশ্রয়কেন্দ্রে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

প্রকাশিত :৩০.০৫.২০১৭, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় মোরা আজ মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিক থেকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে।

সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়েছে।

আতঙ্কের মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্র ও বিভিন্ন হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। এসব জায়গায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্ভোগ চরমে মানুষ।

গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে সরেজমিনে দেখা গেছে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আসা মানুষের চোখে-মুখে অসহায়ত্বের ছাপ।

শিশু-কিশোরেরা ভয়ে কান্নাকাটি করছে। আশ্রয় নেওয়া অনেকের কাছেই খাবার নেই। বিশুদ্ধ পানিরও যথেষ্ট সংকট রয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

দ্বীপের ১০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। সেখানেও খাবার ও বিশুদ্ধ পানির কোনো ব্যবস্থাই নেই।

এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এখানে আশ্রয় নেওয়া এসব মানুষ।

গতকাল সোমবার গভীর রাতে সেন্টমার্টিন বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ওয়াসিম জানান, দ্বীপের একমাত্র সাইক্লোন সেন্টারটি জরাজীর্ণ।

তাই ১০ শয্যার হাসপাতালে ১ হাজার ২০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া দ্বীপের সেনচুর, অবকাশ, ব্লু মেরিন হোটেল, জেলা পরিষদ ডাকবাংলো ও আবহাওয়া অফিসে ৪-৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

তবে সরকারি হাসপাতালটিতে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা না থাকায় আশ্রয় নেওয়া এসব মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমান জানান, দ্বীপের চারদিকে কোনো ধরনের বেড়িবাঁধ না থাকায় মানুষ বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সোমবার সকাল থেকেই টেকনাফের সঙ্গে সেন্টমার্টিনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এই দ্বীপে বসবাসরত লোকজনের জন্য খাবার ও বিশুদ্ধ পানি টেকনাফ থেকে আনতে হয়। হঠাৎ করে সিগন্যাল (বিপৎসংকেত) হওয়ায় তা অনেকে মজুত করতে পারেননি। তাই এখানে খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।