„oMm

আপন জুয়েলার্সের ১৪ মণ সোনা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা

প্রকাশিত :০৫.০৬.২০১৭, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক : অবশেষে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আপন জুয়েলার্সের ১৪ মণ সোনা জব্দ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

পাশাপাশি জব্দ করা ৪২৭ গ্রাম ডায়মন্ডও জমা দেওয়া হয়েছে। আপন জুয়েলার্সের ৫টি শাখায় পূর্ব নির্ধারিত সাড়ে ১৩ মণ সোনা জব্দ করার ঘোষণা দিলেও গতকাল

গুলশানে ডিএনসিসি মার্কেটে আপন জুয়েলার্সের শাখা থেকে সোনা জব্দ করার সময় আরো ২২ কেজি অবৈধ সোনা পায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তারা সেই সোনাও জব্দ করে।

এ নিয়ে জব্দ করা সোনার পরিমাণ ১৪ মণ। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২৬৯ কোটি টাকা।

এদিকে, ইত্তেফাক খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বিকালে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জব্দ করা সোনা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নুরুল হুদা আজাদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর সোনা ও হীরা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছে। এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

অপরদিকে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মুখোমুখি হয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ ও বনানী থানার ওসি ফরমান আলী। গতকাল রবিবার কমিশন কার্যালয়ে হাজির হয়ে এক ঘণ্টা ধরে এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তারা। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ‘দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে তলব করা হয়েছিল। এ মধ্যে দুই পুলিশ কর্মকর্তা এসেছিলেন। এ বিষয়ে গতকাল সকালে ১ ঘণ্টা ধরে তাদের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাওরানবাজারে প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

কমিশন সূত্র জানান, দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদেরকে প্রশ্ন করে। কমিশন বনানী থানার ওসি ফরমান আলীর কাছে জানতে চায়, দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনার ৪০ দিন পর ভুক্তভোগীরা গত ৬ মে সন্ধ্যায় বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করতে গেলে থানা কেন মামলা নিতে বিলম্ব করে। বিচারপ্রার্থী দুই শিক্ষার্থীকে কেন থানার ভিতরে অপমানজনক কথা বলা হয়। ওসি বনানী ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ২৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন কি না, রেইনট্রি হোটেলে রেখে ধর্ষণের ঘটনা জানার পর তারা কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন, দ্য রেইনট্রি হোটেল কর্তপক্ষের কারো সহযোগিতা আছে কি না, ভুক্তভোগী দুই তরুণীকে হয়রানির অভিযোগ, মামলা করার পর আসামিদের গ্রেফতার করতে বনানী থানা পুলিশ কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল—এমন অনেক প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বনানী থানার ওসি ফরমান আলী।