ticket-b

২৩ জুনের ট্রেনের টিকিট বিক্রি চলছে

প্রকাশিত :১৪.০৬.২০১৭, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক : আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য তৃতীয় দিনের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ৮টায় কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। এটি ঈদের আগের শেষ শুক্রবার। তাই এ দিনের টিকিটের চাহিদাও বেশি।
সকাল থেকেই টিকিট সংগ্রহের জন্য কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মানুষের উপচেপড়া ভিড়।
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে লাইনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বিকেল থেকেও অনেকে টিকিটের জন্য বসে আছেন। অনেক টিকিট প্রত্যাশীই এসেছেন সেহরীর পর।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে যাত্রীরা সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করছেন। টিকিট কালোবাজারি রোধে নেওয়া হয়েছে নানা ব্যবস্থা। স্টেশনে টিকিট বিক্রির শৃঙ্খলা রক্ষায় রেলের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে রয়েছে পুলিশ-র‌্যাব।
এ বছর কমলাপুর স্টেশন থেকে ২ লাখ ৬৫ হাজার যাত্রী পরিবহনের কথা জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। থাকবে ১৪টি বিশেষ সার্ভিস। গতকাল সোমবার, ১২ জুন আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। সোমবার বিক্রি হয় ২১ জুনের টিকিট। গতকাল মঙ্গলবার, ১৩ জুন বিক্রি হয় ২২ জুনের টিকিট। আজ বুধবার, ১৪ জুন বিক্রি হচ্ছে ২৩ জুনের টিকিট। বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২৪ জুনের এবং শুক্রবার, ১৬ জুন ২৫ জুনের টিকিট দেওয়া হবে।
আর ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার জন্য রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর, ও লালমনিরহাট স্টেশন থেকে ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে। ১৯ জুন বিক্রি হবে ২৮ জুনের টিকিট, ২০ জুন বিক্রি হবে ২৯ জুনের টিকিট, ২১ জুন বিক্রি হবে ৩০ জুনের টিকিট, ২২ জুন বিক্রি হবে ১ জুলাইয়ের টিকিট, ২৩ জুন বিক্রি হবে ২ জুলাইয়ের টিকিট।
জানা গেছে, প্রতিদিন কমলাপুর স্টেশন থেকে বিভিন্ন রুটে ২২ হাজার ১২২টি টিকিট দেওয়া হবে। এর মধ্য ২৫ শতাংশ মোবাইলে বিক্রির জন্য নির্ধারিত। ৫ শতাংশ ভিআইপি ও ৫ শতাংশ রেলের কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত।
এদিকে কমলাপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন, ঈদের অগ্রিম টিকিট পেতে যাত্রীদের কোনো ভোগান্তি হচ্ছে না। যতক্ষণ টিকিট থাকবে ততক্ষণ যাত্রীরা তা পাবেন। যেকোনো অনিয়ম ঠেকাতে পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, একটি ট্রেনের ৬৫ ভাগ টিকিট কাউন্টারে সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিক্রি হয়। বাকী টিকিটের মধ্যে ২৫ ভাগ বিক্রি হয় অনলাইনে, ৫ ভাগ বিক্রি হয় ভিআইপিদের জন্য, আরো ৫ ভাগ বিক্রি হয় রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য। তবে সব মিলিয়ে রেলে মোট টিকিটের ২৫ ভাগ কোটায় রাখা হয়।