ব্যান্ডের সদস্যদের সাথে আশরাফুজ্জামান সূফি
ব্যান্ডের সদস্যদের সাথে আশরাফুজ্জামান সূফি

সলো’র চেয়ে ব্যান্ডের অ্যালবাম করাটাকেই বেশি গুরুত্ব দেবো: সূফী

প্রকাশিত :০৭.০৭.২০১৭, ৮:২৫ অপরাহ্ণ
  • ‘হারিয়ে যাও’ শোনা বন্ধ করেন, ‘স্কুল’ গানটা সবার সঙ্গে শেয়ার করেন- ‘আজ সারাবেলা’র সঙ্গে আলাপকালে বলছিলেন আরবোভাইরাস ব্যান্ডের ভোকালিষ্ট আশরাফুজ্জামান সূফি। একজন স্পষ্টভাষী মানুষ। ব্যক্তি সূফী’র এগিয়ে যাবার চেয়ে আরবোভাইরাস’কে এগিয়ে নিতে চান অনেক দূর। আরবোভাইরাসের খুঁটিনাটি, স্বপ্ন, ব্যক্তিগত জীবন নানা বিয়ষ নিয়ে কথা বলেছেন সালেহীন দ্বিপু’র সঙ্গে…

আজ সারাবেলা: ছোটবেলা থেকেই শুরু করা যাক। বেড়ে উঠা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সর্ম্পকে সংক্ষেপে যদি বলেন।

সূফী: আমার জন্ম ঢাকায়। তবে বাবার পোস্টিং-এর সুবাদে যশোরে ছিলাম এরপর রাজশাহীতে চলে আসি। রাজশাহীতে যাওয়ার আগে আমি বিএএফ শাহিন স্কুলে ক্লাস থ্রি পর্যন্ত পড়েছি। এরপর রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহী সিটি কলেজ আবার ব্যাক টু ঢাকা। এখানে বিইউএফটিতে ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশান এন্ড টেকনোলোজিতে সেকেন্ড ব্যাচ ছিলাম। এইটা ছিল এডুকেশনাল পার্ট।

আজ সারাবেলা: ব্যান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেন কবে?

সূফী: ব্যান্ড বলতে ২০০২ এ আমি ‘আরবোভাইরাস’ যোগ দেয়। ভোকালিস্ট হিসেবে।

আজ সারাবেলা: মিউজিসিয়ান হবার শুরুর গল্পটি কী ছিল?

সূফী: ছোটবেলায় মা কমবেশি যে কয়টা ফর্মের আর্ট ছিল সবই শিখিয়েছেন। মা দুটো জিনিসের প্রতি আমাকে মনোনিবেশ করিয়েছেন। গানের জন্য রাজশাহীতে শিল্পাস্রম নামে একটি প্রতিষ্ঠানে প্র্যাকটিস করেছি।

arbovirus-sufi-ajsarabela

অাজ সারাবেলা’র সঙ্গে আলাপকালে আরবোভাইরাসে’র ভোকালিস্ট আশরাফুজ্জামান সূফি। ছবি: সাফায়াত হিমেল

আজ সারাবেলা: দুটো বলতে গান ও ছবি আঁকার কথা বলছেন?

সূফী: হ্যাঁ। তবে গানটা ভালোভাবে শেখা হয়নি, কারণ আমার পেন্সিল স্কেচের প্রতি বেশি আগ্রহ ছিল। পরবর্তীতে ঢাকায় আসার পর ওরকমভাবে কারো কাছে শিখিনি। ইউটিউব থেকে পার্টিকুলারলি দুইটা সোর্স গান গাওয়ার ক্ষেত্রে আমাকে অনেক হেল্প করেছে। একটা হচ্ছে ‘দা জেন অফ স্ক্রিমিং’ বাই ‘মেলিসা ক্রস’ আরেকটা হচ্ছে ব্রেট ম্যানিং এর ‘সিঙ্গিং সাকসেস’ গান শেখার ক্ষেত্রে হেল্প করেছে অনেক।

আজ সারাবেলা: ‘আরবোভাইরাস’ এই নামটি কেন?

সূফী: আমাদের ফাউন্ডার মেম্বার বলতে প্রথমে নাম আসে সূহার্ত এরপর নাম রঞ্জন। ওরা প্ল্যান করেছিল ‘স্টার সার্চ বাই বেনসন হেইজেস’ ব্যান্ড প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। কিন্তু তখন আমাদের ব্যান্ডের কোন নাম ছিল না। নাম ছাড়া অংশগ্রহণ করা সম্ভব ছিল না। তখন রঞ্জন আরবোভাইরাস নামটা সাজেস্ট করে। নামের অর্থটা যদি আমাদের দিক থেকে বলি তাহলে বলা যায় ভাইরাস সাধারণত একা কিছু করতে পারে না, এর কাজ হচ্ছে ছড়ানো। ইতিবাচক দিক থেকে চিন্তা করলে শ্রোতাদের মাঝে বেড়ে উঠতে চাই আমরা। আমাদের শ্রোতারা ঠিক সেইভাবে চিন্তা করতে শিখুক, এটাই চাই।

আজ সারাবেলা: এবার আসি স্টেজ পারফরমেন্সে। প্রথম স্টেজ পারফরমেন্স এর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

সূফী: প্রথম পারফরমেন্স ছিল ২০০২ সালে। সামদাদো’তে। মোটামুটি ভালই ছিল। গান প্র্যাকটিস করে গেছি গান গাচ্ছি। ক্রাউড, রেসপন্স তেমন ছিল না। অন্যান্য ব্যান্ড যারা ছিল তারা আসলে ঐখানে শ্রোতা হিসেবে ছিল। একের পর এক শিফট হচ্ছিলো। একটা সময় অনেক আন্ডারগ্রাউন্ড শো এভাবে চলেছে শুরুর দিকটাতে।

আজ সারাবেলা: বর্তমানে জনপ্রিয় ব্যান্ড আরবোভাইরাস। যা বলার অপেক্ষা রাখে না। মাঝে একটা সময় একটু নির্লিপ্ত হয়ে গিয়েছিল আরবোভাইরাস, এটা কেন?

সূফী: ২০০৬ এ আমাদের প্রথম অ্যালবাম বের হয়। এরপর ৭ বছরের একটা বিরতি। এর ভেতর লাইনআপে অনেক পরিবর্তন আসে। প্রথমে আমাদের ব্যাসিস্ট জিসান বাইরে চলে যায়, হায়ার স্টাডি পারপাসে। এরপর আমাদের ড্রামার তানিম চলে যায়। ব্যাসিস্ট এর জায়গায় শর্টটাইম এর মধ্যে আদনান কে পেয়ে যাই। তানিম চলে যাওয়ার পর মাঝে একবার আমরা অডিশনও নিয়েছি। কিন্তু সেরকম কাউকেই পাচ্ছিলাম না। সে সময়টাতেও আমরা গান বানানো বাদ দেয়নি। ড্রামার না থাকা সত্ত্বেও আমরা আকুস্টিক শো করেছি মিক্সড অ্যালবামে পর্যন্ত গান দিয়েছি। এর মধ্যে শূন্য’র ড্রামার লাবিবের মাধ্যমে শুভ ভাইকে ড্রামার হিসেবে পাই। তাকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলাম- শো করছি অ্যালবামের প্ল্যান চলছে তখন। হঠাৎ শুভ ভাই বললেন, তার অস্ট্রেলিয়ার পি.আর. হয়ে গেছে। মনে হয় আরেকটা ড্রামার খোঁজা লাগবে। তখন আমারা আসলেই ভেঙ্গে পরেছিলাম। এখন কি হবে? কোনরকম চলছিল, লাইভ শোগুলো হচ্ছিলো। কেউ যদি অনিয়মিত হয়ে যায়- স্পেশালি লাইভ কনসার্টে রিলিস মেটেরিয়ালগুলো যদি অফ হয়ে যায় তাহলে সবাই স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয় ওরা পারফর্ম করছে না। হয়তো ডিসব্যান্ড হয়ে গেছে- যা আমাদের ফেস করতে হয়েছিল। আর ওটাই আমরা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম।

তারপর আমরা নাফিস’কে খুঁজে পাই। আসলে আমরা নাফিসের মতই কাউকে খুঁজতেছিলাম। সে ড্রামার হিসেবে যোগ দেওয়ার পর সবাই সিরিয়াস হয়ে যাই। নতুন উদ্দ্যেমে শুরু করি। শো করি, পুরনো গানগুলো প্র্যাকটিস করি এবং অ্যালবাম কাজ করি। ২০১২ সালে নাফিস জয়েন করেছিল আর ২০১৩ আমরা দ্বিতীয় অ্যালবামের রেকর্ডিং করি।

আজ সারাবেলা: দ্বিতীয় অ্যালবামে কেমন সফলতা বা সাড়া পেয়েছিলেন?

সূফী: দীর্ঘ বিরতির পর দ্বিতীয় অ্যালবামটি অনলাইনে প্রকাশ করি। শ্রোতাদের রেসপন্সে সত্যিই বেশ আনন্দ দিয়েছিল আমাদের। সফলতার কথা বললে আমি এক কথায় বলব- আমরা সন্তুষ্ট।

আজ সারাবেলা: এই অ্যালবামের কোন গানটি শ্রোতাদের বেশি আকৃষ্ট করেছিল?

সূফী: ‘হারিয়ে যাও’। ধারণা ছিল এই গানটি হিট করবে কিন্তু এতটা ছিল না- যতটা হিট করেছে।

স্টেজ পারফরমেন্সে আশরাফুজ্জামান সূফি

স্টেজ পারফরমেন্সে আশরাফুজ্জামান সূফি

আজ সারাবেলা: এবার একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। জনপ্রিয় একজন ব্যান্ডশিল্পী হিসেবে বাংলাদেশের অডিও বাজারের দুর্দশা দূরীকরণে কী কী করণীয় আছে বলে আপনি মনে করেন?

সূফী: আর্টিস্ট সেন্স থেকে যদি বলি তাহলে সবাই মিলে প্রচুর লাইভ শো করতে হবে। ছোট, বড় যেকোনো পরিসরে হতে পারে সেটা। এটা করে যেটা হবে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে শ্রোতাদের সঙ্গে। সেখানে আমাদের আপকামিং প্রজেক্ট অথবা অ্যালবাম সম্পর্কে শ্রোতা ভক্তদের জানাতে পারব। একটা ব্যান্ডের গান শোনার জন্যই শুধু তাদের অ্যালবাম কেনা নয়, গানের পেছনের গল্প এবং ব্যান্ডের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সম্পর্ক স্থাপনের জন্যেও অ্যালবাম কিনতে হবে। এই ভ্যালু ক্রিয়েট করতে হবে শ্রোতাদের মনে। আরো যেটা করা যায়, এমপিথ্রিতে আরো জিনিস যুক্ত করা। ফাইল ডাউনলোড করবেন ঐখানে আপনি একটা ওয়াল পেপার পাবেন বা কোন অ্যাপ পাবেন যেটা আপনার কাজে লাগবে গান শুনতে।
আর সরকার চাইলেই একটা কাজ করতে পারেন, তাহলো দেশে দেড়শো’ড় বেশি পাইরেটেড সাইট রয়েছে। যেগুলো সম্পূর্ণরুপে অবৈধ। এই সাইটগুলোর আইপি যদি সরকার ব্লক করে তাহলে শ্রোতারা অ্যাক্সেস করতে পারবে না। তখন তারা একচুয়াল কন্টেন্টের ব্যাপারে সচেতন হবে। সরকারের স্বদিচ্ছা এবং আর্টিস্টরাও তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকলে অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব এই সমস্যা।

আজ সারাবেলা: বর্তমান আধুনিক সময়েও ব্যান্ড সঙ্গীতকে অপসংস্কৃতি মনে করে অনেকে। আপনি এ বিষয়টা কিভাবে দেখছেন?

সুফী: ব্যান্ড সঙ্গীতকে যদি আমি অপসংস্কৃতি বলি… তাহলে কনসার্ট ফর বাংলাদেশ একটা ভুয়া জিনিস ছিল! ব্যান্ড মিউজিককে ছোট করলে আজম খান, মাইলস, রেনেসাঁ, ফিডব্যাক, এলআরবি, নগর বাউল থেকে শুরু করে আজকের পাওয়ারসার্জ, মিনারভা পর্যন্ত এদের অবদানকে ছোট করা হয়। একটা আর্টিস্টের ব্যক্তিগত পছন্দ যে সে হারমনিয়াম দিয়ে গাইবে না কিবোর্ড দিয়ে গাইবে। আমাদের আরো সহনশীল হতে হবে বলে মনে হয়। যদি এটা ভালো না লাগে তাহলে আমরা মুখ ফিরিয়ে রাখবো বা অন্য কিছু শুনব যেহেতু অপশন আছে। না শুনে না বুঝে কোনকিছু নিয়ে মন্তব্য করাটা একধরনের বোকামি মনে হয় আমার কাছে।

আজ সারাবেলা: যদি আশরাফুজ্জামান সূফি একজন মিউজিসিয়ান না হতেন, তাহলে জীবনটা কেমন হতো?

সূফী: মনে হয় আমি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতাম। এখনো আমাকে সেক্টরটা টানে। হয়ত চারুকলায় পড়তাম।

আজ সারাবেলা: অনেক জনপ্রিয় ব্যক্তিরা তাদের ভাললাগার জায়গাতে কাজ করার পাশাপাশি অন্য সেক্টরেও কাজ করেন বা সময় দেন। আপনি মিউজিকের পাশাপাশি কি অন্য কিছু করেন?

সূফী: আমি ‘ওয়ালমার্ট’-এ কাজ করি। গ্লোবাল সোর্সিং এটা। এখানে আমি সিনিয়র সোর্সিং স্পেশালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

আজ সারাবেলা: আপনার নিজের সলো অ্যালবাম করার কোন প্ল্যান আছে কি?

সূফী: আমার যদি কখনো সুযোগ আসে সলো অ্যালবাম করার সেটার থেকে আমি ব্যান্ডের অ্যালবাম করাটাকে বেশি গুরুত্ব দিব। সলো’তে যতটা শ্রম দিতে হবে সেটা যদি ব্যান্ডে পেছনে দিই তাহলে আমরা ব্যান্ড হিসেবে আরো ভাল করব। একটা উদাহরণ দেই, একবার একটা ক্লাসিক্যাল সিঙ্গার এর জন্য একটা গান টিউন করেছিলাম। কিন্তু কারণবশত সেটা কোন কাজে লাগেনি। একটা সময় আমাদের একটা গান লাগবে তখন রঞ্জন বললো দোস্ত, তোর কাছে কি আছে? আমার মাথায় যখন যেটা আসে একটা ফাইলে সেভ করে রাখি। সেখান থেকে রঞ্জন ঐ গানটা সিলেক্ট করলো। বললাম এটা আরেকজনের জন্য বানানো। ও বললো এটাই দিতে হবে। পরে গানটা তৃতীয় অ্যালবামে গেলো ‘অসংলগ্নতা’। যেটা আমার সলো অ্যালবামে যেতে পারতো অন্য কোথাও যেতে পারতো। কাজে লেগেছে আরবোভাইরাসে’র।

আজ সারাবেলা: কোন স্বপ্ন বা লক্ষ্য আছে কি, যেটা পূরণ করা করা হয়নি, ভবিষ্যতে করার ইচ্ছে আছে?

সূফী: ভালো ‘ফোলে স্টুডিও’ দিতে চাই। এটা ব্যবহার করা হয় ফিল্মের ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর বা নয়েস ক্রিয়েট করার জন্য। এই যে আমারা কথা বলছি, এখানে ফ্যানের শব্দ আছে, বাইরে পাখিদের শব্দ আছে, কন্সট্রাকশনের শব্দ আছে, এগুলো রিক্রিয়েট করা ফোলে স্টুডিওর সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ও স্টুডিও আর্টিস্টদের কাজ। এটা অনেক কঠিন একটা কাজ। কিন্তু ঠিকমত এইটা ব্যবহার করতে পারলে বাংলাদেশের ফিল্মের মান অনেক উন্নত হবে। এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ ফোলে মুম্বাই থেকে করা হয়। বাংলাদেশে সেরকম ফোলে স্টুডিও নেই। এইটা খুব দরকার।

আজ সারাবেলা: মানসম্পন্ন ব্যান্ডের ভোকালিস্ট হিসেবে নতুন ব্যান্ড শিল্পীদের জন্য আপনার উপদেশ…

সূফী: অনেক ব্যান্ড খুব ভালো লেগেছে। অনেক ব্যান্ড আমি এখনো শুনিনি। যাদের শুনেছি তাদের ভেতর ভালো লেগেছে পরাহ, মিনারভা, কনক্লুশান, অউন্ড, বে অফ বেঙ্গল। এরা অনেক ভালো করছে। এদের উপদেশ দেওয়ার কিছু নেই। কারণ অলরেডি তারা প্রমাণ করেছে। উদাহরণ হিসেবে বলব, অউন্ডের রাতুলের কথা, মবিন ভাই যাওয়ার পর আমারা যে অভাবটা বোধ করতাম একটা ভালো লাইভ সাউন্ড ইঞ্জিনয়ার দরকার একটা ভালো রেকর্ডিং ইঞ্জিনিয়ার দরকার এরা এই অভাবটা পূরণ করছে। কনক্লুশান এর জাকির এর কথা বলব- এরাই বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিবের ভবিষ্যৎ।

আজ সারাবেলা: জনপ্রিয় হবার আগে ও পরের পারফরমেন্সকে কিভাবে আলাদা করবেন?

সূফী: ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনো নিজেকে জনপ্রিয় ভাবী না। কারণ এটা একটা অতিরিক্ত দায়িত্বের বোঝা চাপিয়ে দেয়। তাই পারফরমেন্সও খুব একটা প্রভাবিত হয় না।

আজ সারাবেলা: সবশেষে আপনার ভক্ত শ্রোতাদের উদ্দেশে কী বলতে চান?

সূফী: ‘হারিয়ে যাও’ শোনা বন্ধ করেন। তৃতীয় অ্যালবাম এর প্রচার করেন। আর সবাইকেই অনুরোধ করবো, ‘স্কুল’ গানটা সবার সঙ্গে শেয়ার করেন।

 

আ-সা/রবি/সা