komlapur

কমলাপুর রেলস্টেশনে অগ্রিম টিকিটের জন্য মানুষের ভিড়

প্রকাশিত :১৯.০৮.২০১৭, ১২:০৩ অপরাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক : কমলাপুর রেলস্টেশনে অগ্রিম টিকিটের জন্য আজ শনিবার ঈদে ঘরমুখী মানুষের ভিড় আরও বেড়েছে। সকালে টিকিট কাটতে আসা লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উত্তরবঙ্গে বন্যার কারণে সড়কের অবস্থা খারাপ হয়ে পড়েছে। তাই বাসে ভ্রমণে দুর্ভোগের আশঙ্কায় সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা ট্রেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকিট কাউন্টারে অগ্রিম টিকিটের জন্য মানুষের ভিড় বেড়েছে।

রেলস্টেশনে টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ সারি। সকাল আটটায় কাউন্টারগুলো খোলার সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে ওঠেন সারিতে দাঁড়ানো লোকজন। টিকিট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক টিকিট-প্রত্যাশী মানুষকে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা গেল।

আজ দেওয়া হচ্ছে ২৮ আগস্টের টিকিট। ২৩টি কাউন্টার থেকে এই টিকিট দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি কাউন্টার নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। অগ্রিম টিকিট নেওয়ার পর যাত্রার সময় পরিবর্তন করা যাবে না। একসঙ্গে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট দেওয়া হচ্ছে।

টিকিটের জন্য আসা শাহরিয়া বলেন, ভোররাত সাড়ে চারটা থেকে টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কাউন্টার খোলার সঙ্গে সঙ্গে টিকিট পেয়েছেন। তিনি রংপুর এক্সপ্রেসের টিকিট কিনেছেন। গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত তার বাসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু গতকাল বাস কাউন্টারে গিয়ে টিকিট পাননি। পরে তিনি জেনেছেন, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের সড়কের অবস্থা খারাপ। তাই ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সিদ্ধান্ত বদল করে তিনি ট্রেনের টিকিট কেটেছেন।

আরো একজন বলেন, রাজশাহীর সিল্ক সিটি ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য তিনি এসেছেন। সিরাজগঞ্জের দূরত্ব বেশি না হলেও সড়কপথে দুর্ভোগ ও যানজটের আশঙ্কায় তিনি ট্রেনের টিকিটের জন্য এসেছেন।

রেলস্টেশনে টিকিট কালোবাজারি হচ্ছে না বলে দাবি করে ঢাকা রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিন ফারুক বলেন, সাদাপোশাকে পুলিশ টহল দিচ্ছে। গতকাল ও আজ কাউকেই আটক করা হয়নি।