অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহিত
অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহিত

শুধু সোহরাওয়ার্দী নয়, প্রতিটি হাসপাতাল সেবার মানের মডেল হয়ে উঠুক: ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া

প্রকাশিত :২৩.০৮.২০১৭, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
  • একজন সুচিকিৎসক চাইলে হাসপাতালের প্রচলিত অবয়বই বদলে দেওয়া সম্ভব। ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া, এমন বদলে দেওয়ার দারুণ উদাহরণ। পরিচালক, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল। যুগ্ম সম্পাদক, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। সেবার মান আর পরিবেশ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের এখন লক্ষ্যযোগ্য বিষয়। চিকিৎসাব্যবস্থা থেকে শুরু করে চিকিৎসকরাজনীতি প্রায় সব প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জববার হোসেন
আজ সারাবেলা : আমাদের স্বাস্থ্য খাত আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে, বিশেষ করে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা। কিন্তু তারপরও কোথায় যেন রোগীদের একটা অসন্তুষ্টি থেকে যায়, এটা কেন হয়?

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া: এখানে অনেকগুলো ফেক্টর কাজ করে। প্রথমে জানতে হবে জনগণের সাংবিধানিক অধিকারসমূহ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে সংবিধানের ১৮/১ অনুছেদে; জনগণের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের কথা উল্লেখ করেছেন। জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্রের একটা কর্তব্য আছে। এমতাবস্থায় একজন সাধারণ মানুষ সরকারি হাসপাতালে তার স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে।

সরকারি হাসপাতালে যারা চাকরি করেন ডাক্তার, নাস বা কর্মচারী প্রত্যেকেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের চাকরিবিধি বা অধিকার নিয়ে কাজ করেন। একজনের যেমন সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে তেমনি সরকারি হাসপাতালে কর্মরতরা বিধি মোতাবেক সেবা দিতে বাধ্য। এ জন্য ডাক্তার ও রোগীর সম্পর্কটা খুব জরুরি। একজন রোগী বুঝতে পারেন না সরকারি হাসপালে তার অধিকার কতটুকু। আবার যারা সেবা দিচ্ছেন তারাও বুঝতে পারেন না তাদের অধিকার কতটুকু। অনেক সময় তারা অনধিকার চর্চায় লিপ্ত হন। আবার রোগীও অনধিকার চর্চায় লিপ্ত হয় কখনও কখনও। দুটি অনধিকার চর্চায় কখনও কখনও সংর্ঘষ ঘটে। ডাক্তার ও নার্স আক্রান্ত হন, কখনও প্রতিষ্ঠান আক্রমণের শিকার হয় যা কোনভাবেই কাম্য নয়।

যিনি সেবাগ্রহিতা তিনি একজন সাধারণ মানুষ থেকে সমাজের উচ্চপর্যায়ের যে কেউ হতে পারেন। এখানে মানসিকতার একটি বিষয় কাজ করে। সরকারি হাসপাতালকে স্কয়ার, এ্যাপোলো বা ইউনাইটেডের সঙ্গে তুলনা করার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ থাকে অনেক বেশি। আউটডোরে একজন চিকিৎসক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাইলেও এক মিনিটের বেশি একজন রোগীকে সময় দিতে পারেন না। কখনও অপারেশনের জন্য বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ রোগীদের কিনতে হয়। এমন নানা কারণে রোগীদের মধ্যে অনাস্থার সৃষ্টি হয়। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসককে নির্ধারিত সামর্থ্যের মধ্যে কাজ করতে হয়, যা অনেকেই ভুলে যায়।

কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র নিকট থেকে ক্রেষ্ট গ্রহন করছেন অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহিত

কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নিকট থেকে ক্রেষ্ট গ্রহন করছেন অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহিত

আজ সারাবেলা : আমরা অনেক সময় কেবল বাইরে থেকে দেখি। ডাক্তারদের সংকটগুলো বুঝতে চাই না। একজন চিকিৎসকের জায়গা থেকে সরকারি হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার বিষয়ে যদি বলেন?

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া : আমাদের দেশে প্রাইমারি, সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি লেবেলে স্বাস্ব্যসেবা দেওয়া হয়। প্রাইমারি লেবেলে সব সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। উপজেলার হাসপাতালগুলোতে যে সার্ভিস নেই, সে সার্ভিস হয়তো জেলা লেবেলে হয়েছে। উপজেলা হাসপাতালে সিটি স্ক্যান করানো সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হয়েছে। এখন লাল সবুজের মোড়কে ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। লাল সবুজ মানেই সরকারি ওষুধ। আগে সরকারি হাসপাতালের ওষুধ বাহিরের দোকানে বিক্রি হতো। কিন্তু এখন সেটা বন্ধ হয়েছে, এটা অনেক বড় প্রাপ্তি। বর্তমানে সরকারি হাসপাতালতে পর্যাপ্ত ওষুধ রয়েছে।

আরেকটি অর্জন কমিনিউটি ক্লিনিক। এখন প্রায় ৩০টি ওষুধ বিনামূল্যে প্রধান করা হয়। অনেক দামি ওষুধও যার মধ্যে রয়েছে। গত আট বছরে মাঠপর্যায় থেকে টারসিয়ারি লেবেলে এত পরিমাণ ওষুধ দেওয়া হয়েছে যা রোগীরদের জন্য পর্যাপ্ত। যন্ত্রপাতির দিক থেকেও টারসিয়ারি লেবেলে সরকারি হাসপাতালগুলো অনেকটা স্বয়ংসম্পূর্ণ। সরকারি হাসপাতালগুলোতে সমস্যা হলো, রোগীর চাপ। যে পরিমাণ বেড রয়েছে রোগীর পরিমাণ তার কয়েকগুন বেশি। ফলে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকার পরও সার্ভিস দিতে কখনও কখনও হিমসিম খেতে হয়।

দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, আমাদের রোগী দেখার সময় হলো সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা। আবার বহিঃবিভাগে দুপুর ১টা। যদি মিনিট হিসেব করি একজন চিকিৎসক রোগী দেখার সময় পান ৩০০ মিনিট। অথচ ৫০০ থেকে ৫৫০ রোগী থাকেন। যার কারণে একজন চিকিৎসক চাইলেও ভালভাবে সময় দিতে পারেন না। আবার সে ¯িøপটিতে ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লিখেন সেটিও দৈর্ঘ্য প্রস্থের দিক থেকে পর্যাপ্ত নয়।

আজ সারাবেলা : চিকিৎসা একটি জরুরি সেবা। অন্যান্য জরুরি সেবা যেমন, পুলিশের ক্ষেত্রে সার্ভিস দিতে নতুন নতুন নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোন নিয়োগ পরিকল্পনা রয়েছে কি না?

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক স্যার অনেকগুলো নতুন পদ সৃষ্টি করে গেছেন। বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সাহেবও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য খাতের নিয়োগ প্রক্রিয়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে কিছু জটিলতার কারণে আটকে আছে। জটিলতা নিরসন হলেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ সম্ভব হবে বলে মনে করি।

আজ সারাবেলা: এখানকার প্রচুর রোগী প্রতিবছর দেশের বাহিরে গিয়ে চিকিৎসা করান। এর কারণ কী স্বাস্থ্যসেবার মান, নাকি অন্য কোন ঘাটতি রয়েছে?

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া: গত কয়েক বছরে রোগীদের বাইরে যাওয়ার প্রবণতা কমে গেছে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে কেন যাচ্ছে? মানুষের জীবনমাত্রার মান ও অর্থনৈতিক অবস্থা আগের চেয়ে ভাল হওয়ায় অনেকে দেশের বাইরে যাচ্ছে। আবার সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রতিবেশী দেশে যাতায়াত সহজ। ফলে তারা ভারতে যাচ্ছে। আমাদের এখানে একটা বিলাসী শ্রেণী আছে, যারা নিজেদের উচ্চতা সমাজের কাছে তুলে ধরার জন্য সর্দি, কাঁশিতেও বিদেশে যায়। ফিরে এসে তিন মাস কেবল বিদেশের গল্প করে। তারা সেখানে কেবল চিকিৎসাই করে না, শপিংও করে।

তবে মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্ত যে শ্রেণীটা, তারা অনেক সময় আস্থার অভাবে বাইরে যান। তাদের জন্য অনেক সময় আমরা দায়ী। তবে আস্থার পাশাপাশি দৃষ্টিভঙ্গিরও একটি বিষয় রয়েছে। একটু ব্যাখ্যা করে বলি। যে রোগীটি বেসরকারি হাসপাতাল বা কর্পোরেট হাসপাতালে যায়, সেখানে সে লাইনে দাঁড়ায় ন¤্রতার সঙ্গে, ধৈর্য্য ধরে। কখনও ডাক্তার আসতে দেরি হলেও তার ধৈর্য্যরে বাধ ভাঙে না। কিন্তু একই রোগী যখন আমাদের সরকারি হাসপাতালে আসে তখন সে উচ্চস্বরে কথা বলে, কখনও কখনও রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থনৈতিক প্রভাব জাহির করার চেষ্টা করে। যে চিকিৎসক কর্পোরেট হাসপাতালে অপারেশনটি করছেন, তিনি একই অপারেশন এখানেও করছেন। চিকিৎসা কিন্তু একই। হয়তো আনুষাঙ্গিক পরিবেশ ও চাকচিক্য ভিন্ন। আমি মনে করি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনেরও প্রয়োজন রয়েছে।

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহিত

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহিত

আজ সারাবেলা : আপনি ডা. উত্তম কুমার বড়–য়া। দেশের একজন প্রথিতযশা চিকিৎসক। যদি প্রশ্ন রাখা হয় আপনার কাছে, দেশের সেরা হাসপাতাল কোনটি?

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া : একটি হাসপাতাল মডেল হাসপাতাল হয়ে উঠে যখন সে হাসপাতালটি সবদিক দিক থেকে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। আমি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালকে পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকার ব্যবস্থা করেছি। সেবাদানের ক্ষেত্রেও মনে করি আমাদের আচরণগত পরিবর্তন প্রয়োজন। আমি যদি রোগীদের কাছে আস্থা অর্জন করতে না পারি তাহলে অবস্থান নিব কিভাবে?

আচরণগত পরিবর্তনের জন্য আমরা পুরো হাসপাতালের সার্ভিস টিমকে ৪৩টা গ্রুপে ভাগ করেছি। প্রতি গ্রুপে ৬ জন করে সদস্য কাজ করছে। গ্রুপে চিকিৎসক থেকে শুরু করে ক্লিনার পর্যন্ত রয়েছে। রোগীদের কী সমস্যা, কোথায় অভিযোগ তা তারা দেখছে। সার্ভিস টিম এর কারো অভিযোগ পেলে আমরা তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা করছি।
আরও জেনে খুশি হবেন, সোহরাওয়ার্দী বাংলাদেশের একমাত্র দালাল মুক্ত হাসপাতাল। অনেকেই হয়তো শুনলে বিশ্বাস করতে চাইবে না কিন্তু এটাই সত্যি। মডেল হাসপাতাল কেবল মুখে বললে হবে না, কার্যত নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। পরিচ্ছন্নতা বলুন, সেবা বলুন, ১০০ ভাগ দালাল মুক্ত পরিবেশ বলুন। সব দিক থেকেই সোহরাওয়ার্দী এখন এগিয়ে। ইচ্ছে ও আন্তরিকতাটাই সবচেয়ে বড়। আমি কিন্তু বাড়তি লোক নিয়োগ দেইনি। নিজেদের সামর্থ্যরে মধ্যেই ব্যবস্থাপনাকে জোরদার করেছি। শুধু সোহরাওয়ার্দী নয়, আমি চাই প্রতিটি হাসপাতাল সেবার মানের মডেল হয়ে উঠুক।

আজ সারাবেলা : চিকিৎসকরা আগের চেয়ে অনেক বেশি দলীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে কি আপনি মনে করেন না?

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া : রাজনৈতিক দর্শন যার যার আলাদা। এটি একজন মানুষের থাকতেই পারে। কিন্তু সরকারি চাকরিতে সেবা দিতে এসে এর প্রভাব যদি প্রকটভাবে পড়ে তবে তা দুঃখজনক। বদরুদ্দোজা চৌধুরী যখন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা হন তখন তিনি সরকারি চিকিৎসকদের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন। আগে ছিল বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, দল, মত নির্বিশেষে যার একটি ঐতিহাসিক ভ‚মিকা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এমন কি এরশাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও এ সংগঠনের চিকিৎসকরা ভ‚মিকা রেখেছে, আত্মহুতি দিয়েছে। কিন্তু ১৯৯১ সালে বি চৌধুরী সাহেব চিকিৎসকদের একটি দলীয় লেজুরবিত্তি সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) গড়ে তুলেন। যা পরবর্তীকালে ‘টেন পার্সেন্ট’ নামে পরিচিত। চিকিৎসকদের দলীয়করণের ভিত্তি ভ‚মি এখান থেকেই।

ড্যাব এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জাহিদ এর নেতৃত্বে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ও প্রমাণ রয়েছে। পরবর্তীতে এই সংগঠনটির অন্যায় অপরাধের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী চিকিৎসকেরা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) নামে আর একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। চিকিৎসকদের এ দ্বিধাবিভক্তি অবশ্যই ক্ষতিকর এ কথা আমি অস্বীকার করছি না। তবে তার পরও বলতে চাই, বিগত দিনগুলোতে চিকিৎসকদের নানা ধরনের যৌক্তিক দাবি পূরণে স্বাচিপ সক্রিয় ছিল। যদি চিকিৎসকরা তাদের সরকারি দায়িত্বে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে গঠনমূলক কাজে য্ক্তু হতে পারেন, তাহলে স্বাচিপ করলে অসুবিধা কী? দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যদি মানুষের সেবার কথা বলা যায়, অধিকারের কথা বলা যায়, মানুষকে সেবা দেওয়া যায় তাহলে দোষ কী? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে যে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছেন তাতে কেবল স্বাস্থ্যব্যবস্থাই নয়, চিকিৎসাব্যবস্থাই নয়, দেশ এগিয়ে যেতে বাধ্য। বাস্তবে ঘটছেও তাই। উন্নয়ন যখন ঘটে তখন দল, মত নির্বিশেষে সকলেই সে সুবিধা পায়।

আজ সারাবেলা : ধন্যবাদ।

অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া : আপনাকেও ধন্যবাদ।