PM digital

‘দেশের প্রতিটি সেক্টরকেই আমরা ডিজিটিলাইজ করেছি’

প্রকাশিত :১০.০৯.২০১৭, ১২:২৫ অপরাহ্ণ

সারাবেলা ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে আজ রোববার সকাল ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন লতাচাপলী ইউনিয়নের মাইটভাঙ্গা এলাকায় নির্মিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের উদ্বোধন করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছিল আমাদের। আমরা তা বাস্তবায়ন করে ফেলেছি। প্রতিটি সেক্টরকেই আমরা ডিজিটিলাইজ করেছি। পটুয়াখালীর এই দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে তা আরো সহজ ও গতিসম্পন্ন হবে। আমরা দেশের যে উন্নয়ন করেছি তা মানসম্পন্নভাবে ধরে রাখার দায়িত্ব আপনাদের (জনগণের)।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন দেশের সব ধরনের কার্যক্রমকে আমরা অনলাইন ভিত্তিক করতে পেরেছি। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি সবকিছুই এখন অনলাইনে। যোগাযোগ সহজ করতে আট হাজার ২০০টি পোস্ট অফিসকে ডিজিটালাইজ করাসহ ২৫ হাজার ডিজিটাল তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে।’
সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনটি চালুর মাধ্যমে এক হাজার পাঁচশো জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সুবিধাসহ নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেটে সংযুক্ত হবে। কক্সবাজারে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের চেয়ে পটুয়াখালীতে দ্বিতীয় প্রকল্পটি পাঁচ গুণ বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন। ব্যান্ডউইথ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির তথ্য মতে, পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় মাইটভাঙ্গা গ্রামে ২০১৩ সালের শেষের দিকে ১০ একর জমির ওপর ৬৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনটি। প্রকল্পটির কাজ শেষ করার পর ২০১৭ সালের মার্চ মাস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার পরীক্ষামূলক চালু হয়। সাগরের নিচ দিয়ে ইউরোপ থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে ২৫ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ ক্যাবল লাইন বঙ্গোপসাগরের উপকূলে কুয়াকাটার স্টেশন থেকে মাত্র সাড়ে ৯ কিলোমিটার দূরত্বে পৌঁছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ল্যান্ডিং স্টেশনের সঙ্গে তা সংযোগ স্থাপন করা হয়।