22222

দীর্ঘদিন পর গানে ফিরলেন চম্পাকলি

প্রকাশিত :১২.০৯.২০১৭, ২:৫০ অপরাহ্ণ

জে জাহেদ: শিল্পী চম্পাকলি পরিবারের অগ্রবর্তীদের আগ্রহে ছেলেবেলা থেকে ছিলেন রবীন্দ্র সাহিত্যের প্রতি আকৃষ্ট। সংগীতের প্রতি ভালবাসা আর তীব্র টানে পুরোপুরি নিজেকে উৎসর্গ করেন রবীন্দ্র সংগীতে। বাবা ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভক্ত। বাবার স্নেহ ভরা হাত ধরে ঢোল, পিয়ানো, তবলা স্পর্শ করা। শুরুতেই যিনি ভাগ্যগুনে সান্নিধ্য পেয়েছেন খুলনার প্রখ্যাত ওস্তাদ পুতুল দিদি মনিকে। যিনি খুলনা রেলওয়ে স্কুল এর গানের শিক্ষক ছিলেন।

এ ছাড়াও জনপ্রিয় বাদক ফটিক চন্দ্র, বিটিভিতে গানের প্রোগামের বিচারক, নজরুল একাডেমী ও বেতার উচ্চাঙ্গ সংগীতের গুরু জনপ্রিয় সুরস্রষ্টা আব্দুল মালেক চিশতীর কাছে সংগীতের নানা শিক্ষা দিক্ষা নেন ও তবলা বাজানো শেখেন বাদক সন্তোষ কুমারের হাতে।

প্রায় ২ সহস্রাধিক বেশি রবীন্দ্র সংগীতে যুগসন্ধি প্রাণ দিয়েছে তার কণ্ঠ। রবীন্দ্র সংগীত ছাড়াও তার গলায় প্রাণ পেয়েছে অতুলপ্রসাদের গান, ব্রহ্মসংগীত, আধুনিক বাংলা গানের নানা সম্ভার। দীর্ঘদিন গানে প্রকাশ্যে না থাকলেও সাম্প্রতি ফিরে আসলেন গানের জগতে নিজেকে নিয়মিত মেলে ধরার প্রয়াসে।

কলেজে পড়াকালীন সময়ে তিনি রবীন্দ্র সংগীত প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএ ডিগ্রী নেন। কলেজ পড়াকালীন সময়ে রবীন্দ্র গানের সম্ভারে ‘চেতনা’ নামক এক গানের অনুষ্ঠানে শিল্পী হিসাবে সুনাম কুড়িয়েছিলেন।
এছাড়া নাজনীন নাহার চম্পাকলি একজন সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী হওয়া সত্ত্বে ক্যান্টনমেন্ট এর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও কিছু মহিলা সংগঠনের নানা অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে হাজার হাজার সংগীত পিপাসু দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়ে নানা পুরষ্কারে ভূষিত হন। দেশের গন্ডি পেঁরিয়ে সিঙ্গাপুরেও রবীন্দ্র সংগীতের একক প্রোগাম করে প্রবাসীদের মাতিয়েছেন।

বর্তমানে নিজের একক ভিডিও সিডি ও একক প্রোগামের কাজে মনোনিবেশ করেছেন শিল্পী নেজেই। এ পর্যন্ত নানা সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে শিল্পীর শতশত গান রয়েছে ইচ্ছা করলে যেকোন দর্শক শুনতে পারেন শিল্পী চম্পাকলির কন্ঠে গাওয়া রবীন্দ্র সংগীত।

রবীন্দ্র সংগীত বিষয়ে জানতে চাইলে শিল্পী নাজনীন নাহার চম্পাকলি বলেন, ‘আমার জীবনে বিশ্বকবি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রবীন্দ্র সঙ্গীতের যে বিস্তৃত প্রভাব তা আমি কখনও ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। মনের পুজারী আর ভালোবাসায় ভরা রবী ঠাকুরের সৃষ্টিশীলতা। প্রতিদিনের পথচলার সাথী হয়ে যিনি পথ দেখায় জীবন দর্শন হিসাবে।