দেশের বৃহত্তম বোডিং স্কুল প্লেজ হারবার ইন্টারন্যাশনালে ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনি, মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলি’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন চিত্রনায়ক- ফেরদৌস আহমেদ।

বৃহত্তম বোডিং স্কুল প্লেজ হারবারে ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনি, মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলি’

প্রকাশিত :০৩.১২.২০১৭, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ

ইসলাম মোহাম্মদ রবি : গাজীপুরের মাওনায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম বোডিং স্কুল প্লেজ হারবার ইন্টারন্যাশনালে ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনি, মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলি’ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

‘আজ সারাবেলা’ ও ‘সুচিন্তা ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনি, মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলি’ শীর্ষক দেশজুড়ে, বছরজুড়ে কার্যক্রমের ১৯তম পর্বের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক- ফেরদৌস আহমেদ।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, আমার মা’য়ের কাছে শুনেছি- লুকিয়ে লুকিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের রান্না করে খাওয়াতেন আমাদের বাড়ির লোকজন। যুদ্ধের সময় বাড়ির মা, চাচীরা চুলার ছাইয়ের স্তুপের মধ্যে লুকিয়ে থাকতেন পাকিস্তানি সৈন্যদের ভয়ে। যেন তারা বুঝতে না পারে এই বাড়িতে কোন মেয়ে বা মহিলা আছেন।

দেশের বৃহত্তম বোডিং স্কুল প্লেজ হারবার ইন্টারন্যাশনালে ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনি, মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলি’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন চিত্রনায়ক- ফেরদৌস আহমেদ।

দেশের বৃহত্তম বোডিং স্কুল প্লেজ হারবার ইন্টারন্যাশনালে ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনি, মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলি’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন চিত্রনায়ক- ফেরদৌস আহমেদ।

কারণ সেই সময় মহিলাদের ধরে নিয়ে নানা ধরনের অমানবিক অত্যাচার করা হতো। প্রায় ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানী ঘটেছে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে। ৩০ লাখ শহিদ জীবন দিয়েছেন স্বাধীন হবার জন্য। তাই স্বাধীনতা সহজ কোন বিষয় নয়।

আজ আমি অভিনয় করছি, নায়ক হয়েছি। তোমরা দেশের অন্যতম সেরা একটা স্কুলে পড়াশোনা করছো- এসবের কিছুই হতো না যদি আমরা স্বাধীন হতে না পারতাম।

তিনি বলেন, খুব সহজে কিন্তু স্বাধীনতা আসেনি। এর পেছনের ইতিহাসটা ছিল আন্দোলন সংগ্রামের। যখন পর্ব পাকিস্তানের মানুষ সব কিছু থেকে বঞ্চিত হতে লাগল। তখন প্রতিবাদ শুরু করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

পরবর্তীতে তার অসাধারণ নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা দাবি, ৭৯ এর গণঅভ্যুথান, ৭০ এর নির্বাচন তারপর মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমার স্বাধীনতা পেয়েছি। এসকল আন্দোলন করতে যেয়ে জেল জুলুম অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে বঙ্গবন্ধু ও ছাত্র নেতাদের।

তিনি আরো বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণের পরই আসলে বাঙালি জাতি যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হয়ে পরেছিল। প্রস্তুত হয়েছিল ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানটি বুকে ধারণ করে স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের জন্যে।

‘জয় বাংলা’ কোন রাজনৈতিক দলের শ্লোগান নয়। এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যের শ্লোগান। মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগান। শক্তির শ্লোগান।

শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম এবং দেশের কল্যাণে অবদান রাখার আহবান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ।

বায়ে প্লেজ হারবার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভাইস-প্রিন্সিপাল আদনান চৌধুরী মাঝে প্রিন্সিপাল মিনাক্ষী আহলাওয়াত এবং ডানে ‘আজ সারাবেলা’র সম্পাদক জব্বার হোসেন।

বায়ে প্লেজ হারবার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভাইস-প্রিন্সিপাল আদনান চৌধুরী মাঝে প্রিন্সিপাল মিনাক্ষী আহলাওয়াত এবং ডানে ‘আজ সারাবেলা’র সম্পাদক জব্বার হোসেন।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ নেতৃত্ব ও বাংলাদেশের স্বাধীনতায় তার অবদানের নানা দিক তুলে ধরেন

প্লেজ হারবার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভাইস-প্রিন্সিপাল আদনান চৌধুরী এবং প্রিন্সিপাল মিনাক্ষী আহলাওয়াত।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ‘আজ সারাবেলা’র সম্পাদক জব্বার হোসেন।

অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এই কার্যক্রমের সমন্বয়ক রবিউল ইসলাম রবি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আয়োজিত কার্যক্রমের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল নীলসাগর গ্রুপ ও আয়োজন সহযোগী নর্দান ইউনিভার্সিটি।

 

আজসারাবেলা/সংবাদ/তারেক/সারাদেশ/মুক্তিযুদ্ধ