আন্ডারপ্যান চিবিয়ে মদের গন্ধ দূর করার চেষ্টা!

প্রকাশিত :০৪.০১.২০১৮, ১:৫৩ অপরাহ্ণ

জুলকারনাইন জ্যাকি: মানুষ আগত বিপদ থেকে বাঁচার জন্য কত রকমের চেষ্টা-তদবিরই না করে!  চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখি না আমরা। বিপদ সামনে, সুতরাং চুপচাপ বসে থাকা তো যায় না!  তখন মনে হয় দুনিয়ার যত বুদ্ধি আছে তা খাঁটিয়ে হলেও বিপদ থেকে বের হয়ে আসতেই হবে। মাথায় তথন আর উপস্থিত বুদ্ধি কাজ করেনা। হিতে হয় বিপরীত।

হিতে বিপরীত হয় যখন আপনি মদের নেশায় চুর। নেশাকে চরমভাবে অবগাহন করছেন। সেরকম গতিতে আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন। চলন্ত বাতাসে নেশার ঘোরে পুরো পৃথিবী যেন রঙ্গিন মনে হচ্ছে। নেশার চটে কখন গতিসীমা অতিক্রম করেছেন সেটা মনে নেই। ঠিক সেই চরম মূহুর্তে সিগন্যাল দিয়ে গাড়ি থামিয়ে আপনার সামনে চলে আসল পুলিশ। কেমন লাগে বলুন তো! পুরো মাথাই নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম। যেহেতু পুলিশ চলেই আসছে সুতরাং নেশা মাপার যন্ত্রের সামনে পরীক্ষা দিতেই হবে। এখন তো কোন ছুঁতো দিয়ে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে হবে। নেশা যেকোন উপায়ে ঝেড়ে ফেলতে হবে। তাই বলে আন্ডারপ্যান্ট চিবানো তো কোন উপায় হতে পারে না নেশা ঝেড়ে ফেলার।

২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে কানাডার অ্যালবার্টায় এমনই একটি হাস্যকর ঘটনা ঘটিয়েছিল ১৮ বছরের এক যুবক। পুলিশের মদপরীক্ষা যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে নিজের আন্ডারপ্যান্ট খুলে চাবাচ্ছিল যাতে করে সুতি কাপড়ে গন্ধে মদের গন্ধ উধাও হয়ে যায়।

উইলিয়াম ই হে কম্পোজিট হাই স্কুলের আইনের ছাত্র ডেভিড জার্ফলুকে কন্সটেবল বিল রবিনসন আটক করেছিলেন মদ খেয়ে হাইওয়েতে বেগতিক গাড়ি চালানোর দায়ে। রবিনসন আদলতকে জানান যে যখন ডেভিডকে আটক করা হয় তখন তিনি নিজের আন্ডারপ্যান্ট চাবাচ্ছিলেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। পরবর্তীতে তাকে ডেভিড ম্যাকনটনের প্রাদেশিক আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে খালাস করে দেন।

আদালতে ডেভিড বলেন, মদের গন্ধ আড়াল করতে তিনি আন্ডারপ্যান্টের সুতি অংশ চাবিয়ে ফেলে দেন যাতে করে মদের গন্ধ দূর হয়ে যায়। কিন্তু লাভ হয়নি। যন্ত্রে তার মদ খাওয়ার বিষটি ধরা পড়ে যায়। এসময় আদালত চত্বরে উপস্থিত প্রত্যেকে হাসতে হাসতে অস্থির হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে বয়স ও অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে আদালত ডেভিডকে মাফ করে দেয়।

সূত্র: masscops.com

আজ সারাবেলা/জ্যাকি/নেশা