প্রতিষ্ঠান সকলের, অর্জন সকলের, তাই সকলে মিলে আনন্দ করি - Aj SaraBela (আজ সারাবেলা)
বক্তব্য রাখছেন নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবিব লেলিন।

প্রকৌশলী আহসান হাবিব লেলিন
প্রতিষ্ঠান সকলের, অর্জন সকলের, তাই সকলে মিলে আনন্দ করি

প্রকাশিত :০২.০৫.২০১৮, ৫:০৭ অপরাহ্ণ

সিদ্দিক আশিক : সকাল থেকেই নীলফামারীর বিভিন্ন জায়গা থেকে শ্রমজীবী মানুষেরা জড়ো হতে থাকেন জেলা শহরের সরকারি স্কুল মাঠে। দিনটির জন্য বছরজুড়ে অপেক্ষা করে থাকেন এই মানুষেরা। দিনটি মহান মে দিবস। এই দিনে মালিক-শ্রমিক এক হয়ে আনন্দে মেতে উঠেন, আর সেই কারণেই অপেক্ষা।

দিনটি একেবারেই অন্যরকম। নতুন পোশাক, উৎসবের খাওয়া, র‌্যাফেল ড্রয়ের পুরস্কার সব কিছু মিলিয়ে এ যেন এক আনন্দের বন্যা।

সামাদ, রতন, মোমিনুল, হাজরা, সুরেন্দ্র, আলতাফ, হাসেম, জয়নাল, আশিক, তারেক, রবিউল এমন শত শত কর্মীরা লাইন ধরে র‌্যালিতে অংশ নেয়। না দেখলে যা বিশ্বাস হবার নয়। কথা হয় কয়েকজনের সঙ্গে। সবারই প্রায় একই কথা, হামরা সবায় বসি থাকি দিনটা কুন্দিন আসপে।

নীলসাগর গ্রুপের বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় তিন হাজার কর্মী অংশগ্রহণ করেছেন  এবার মে দিবস উদযাপনের কর্মসূচিতে। প্রতি বছরই নীলসাগর গ্রুপ তাদের কর্মীদের নিয়ে র‌্যালি আর দিনব্যাপী আনন্দ উৎসবের আয়োজন করে। র‌্যালির নেতৃত্ব দেন নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবিব লেলিন।

র‌্যাফেল ড্রয়ের পর পুরস্কার নেওয়ার পালা।

এবারে র‌্যালির শ্লোগান ছিল- ‘শ্রমিক মালিক গড়বো দেশ, এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’। প্রকৌশলী আহসান হাবিব লেলিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি আজ সারাবেলা’কে বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি প্রতিষ্ঠান। একটি প্রাণ। তাই  প্রতি বছর সবাই এক হই, একটু আনন্দে মেতে উঠতে। আমি নিজেকে কখনই মালিক ভাবি না, প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মীই মনে করি নিজেকে। তাই সবাই মিলে এক হওয়া। কেন না প্রতিষ্ঠান সকলের, অর্জন সকলের, তাই সকলে মিলে আনন্দ করি।

র‌্যালিতে নীলসাগর গ্রুপের পরিচালক (ফার্ম) মমিনুর রহমান রঞ্জু, পরিচালক আবু সালেহ সোহেল রানা, মোহাম্মদ মোস্তফা, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরহানুল হক, নীলফামারী পৌরসভার কাউন্সিলর আনিছুর রহমান আনিছসহ বিভিন্ন ইউনিট প্রধান ও কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

পরে নীলফামারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে র‌্যাফেল ড্রতে ২০ জনকে বিভিন্ন পুরস্কার দেয়া হয়। এরমধ্যে প্রথম তিন জনকে এলইডি টিভি, চতুর্থ জনকে ১টি সাইকেল, ৫ম থেকে ১৪ জনকে ১টি করে মোবাইল ফোন এবং ১৫ থেকে ২০ জনকে ১টি করে ছাতা প্রদান করা হয়।