‘বন্দুকযুদ্ধে’ পৌর কাউন্সিলরসহ নিহত ১১ - Aj SaraBela (আজ সারাবেলা)

‘বন্দুকযুদ্ধে’ পৌর কাউন্সিলরসহ নিহত ১১

প্রকাশিত :২৭.০৫.২০১৮, ১২:১৮ অপরাহ্ণ

আজ সারাবেলা রিপোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক (৪৬)সহ ১১ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত থেকে আজ রোববার ভোর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এসব ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
র‌্যাব ও পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে।

টেকনাফ

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে নোয়াখালিয়া পাড়ায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে একরামুল হন নিহত হন। এ সময় তার লাশের পাশ থেকে ১০ হাজার ইয়াবা, ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ওয়ান শুটার গান, ৬ রাউন্ড গুলি ও ৫ টি খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।

নিহত একরাম টেকনাফ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের খায়ুকখালীপাড়ার মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে এবং একই ওয়ার্ডের পর পর তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন জানান, শনিবার রাতে নোয়াখালিয়া পাড়া থেকে একটি ইয়াবার চালান কক্সবাজার শহরে যাওয়ার কথা ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব মেরিন ড্রাইডে অবস্থান নেয়। কিন্তু র‌্যাবের উপস্থিতি টের ইয়াবা পাচারকারীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। র‌্যাবও আত্নরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে পাচারকারীরা পিছু হটে। পরিস্থিতি শান্ত হলে সেখানে তারা একরামুলের মৃতদেহ দেখতে পান।

নিহত একরামুল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে বলে জানান র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা।

নোয়াখালী

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী পৌরসভায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মো. হাছান প্রকাশ ইয়াবা হাছান (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, ৭টি কার্টুজ, ১টি রামদা, ৩টি লম্বা চেনি, ১টি দা ও ১২০পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বগাদিয়া ইজতেমা মাঠে এই ঘটনা ঘটে। নিহত হাছান সোনাইমুড়ী পৌরসভার বগাদিয়া মিয়া বাড়ির হানিফ মিয়ার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল ১১টার দিকে সোনাইমুড়ী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা হাছানকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে তাকে নিয়ে অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধারের জন্য বগাদিয়া ইজতেমা মাঠ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা হাছানের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় গোলাগুলিতে ইয়াবা হাছান গুলিবিদ্ধ ও তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়।

পরে গুলিবিদ্ধ হাছানকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় পুলিশের কনস্টেবল সোহাগ, জহির মজুমদার ও গোলাম সামদানি আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

নিহত হাছানের মরদেহ সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে তিনটিসহ থানায় মোট ২১টি মামলা রয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ সুপার।

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রায়হান (২৭) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী মারা গেছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে উপজেলার গুলিয়াখালী সন্দ্বীপ ফেরী ঘাটে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, নিহত রায়হান মাদক ব্যবসায়ী। তিনি ৪নং মুরাদপুর ইউনিয়নের গোলাবাড়িয়া এলাকার মালিউল হকের ছেলে।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে বের হয় সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ। এ সময় পুলিশের অভিযান দল মুরাদপুর ইউনিয়নের গুলিয়াখালী সাগরপাড় এলাকায় সন্দ্বীপ ফেরী ঘাটের কাছে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের গুলি ছুড়তে শুরু করে। পুলিশও ওই সময় আত্মরক্ষার্থে পাল্টাগুলি চালায়। এক পর্যায়ে পালানোর সময় ধাওয়া করে তিনজনকে আটক করে। পরে ঘটনাস্থলে রায়হানের লাশ পাওয়া যায়।
নিহতের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড থানায় আটটি মাদক আইনে মামলা রয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তার।

খুলনা

খুলনার দিঘলীয়া উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কালাম (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
দিঘলীয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, রাতে বারাকপুর উপজেলার সিদ্দিপাশা ঘাট এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কালাম নিহত হয়েছেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১০০পিস ইয়াবা ও ২২৪ মডেলের একটি শর্টগান উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। নিহতের কালামের বাড়ি যশোরের অভনগর উপজেলায়।

বাগেরহাট

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে মিথুল বিশ্বাস (৩২) নামে এক মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। আজ রোববার ভোরে উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের পিংগুড়িয়া এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। নিহত মিথুল ওই এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে বাগেরহাটের বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদক ও পুলিশের ওপর হামলাসহ ২০টি মামলা রয়েছে।

চিতলমারী থানার ওসি অনুকূল বিশ্বাস জানান, মিথুল দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছিলেন। গত রাতে পুলিশ তার মাদক বিক্রির আস্তানায় হানা দেয়। এ সময় তার দলবল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি করে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মিথুল পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে তাকে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লাশ বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই কেজি গাঁজা, ১০টি ইয়াবা, একটি শার্টারগান ও দুটি গুলি উদ্ধার করে বলে দাবি করেছেন ওসি।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রফিকুল ইসলাম ওরফে তালেবান (৫৫) নামে আরও এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। আজ রোববার ভোরে জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় মীরডাঙ্গী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত রফিকুল উপজেলার ভৌরনিয়া গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে।

জেলার পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীংশকৈল উপজেলায় পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ভৌরনিয়া মীরডাঙ্গী এলাকায় গেলে মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে তালেবানের লোকজন পুলিশের ওপর অর্তকিত হামলা চালায়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি ছোড়ে। এতে রফিকুল ইসলাম ওরফে তালেবান গুলিবিদ্ধ হন। পরে পুলিশ তাকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ

শৈলকুপায় দুদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা যায়নি।

শৈলকুপা থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন জানান, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বড়দা জামালপুর নাম স্থানে রাত সোয়া ১টার দিকে দুদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ সময় অজ্ঞাত এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ১০ বোতল ফেনসিডিল ৫০০টি ইয়াবা এবং পিস্তলের দুটি ও বন্দুকের ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে ।

চাঁদপুর

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেলিম প্রধান (৩৭) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত পৌনে ৩টায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার হাজীর ডোন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সেলিম মতলব দক্ষিণ উপজেলার উপাদী ইউনিয়নের সালামত উল্যাহর ছেলে।

মতলব দক্ষিণ থানার ওসি কুতুবউদ্দিন জানান, থানা ও ডিবি পুলিশের যৌথ দল মতলব সড়কের হাজীর ডোন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সাত মাদক মামলার আসামি সেলিমকে আটক করা হয়। সেলিমকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় সহযোগীরা পুলিশের ওপর গুলি ও হামলা চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে সেলিম গুলিবিদ্ধ হয়। পরে আহত অবস্থায় তাকে মতলব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে ৪ রাউন্ড গুলি, ৬ রাউন্ড কার্তুজ, ১১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং দুটি দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত সেলিমের বিরুদ্ধে থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানান ওসি।

মেহেরপুর

মেহেরপুরের গাংনীতে দুদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হাফিজুল ইসলাম ওরফে হাফি (৪৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কাথুলি ইউনিয়নের গাঁড়াবাড়িয়া বাথান মাঠ এলাকার জনৈক আমজাদ হোসেনের কচুক্ষেতে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত হাফিজুল ইসলাম গাংনী ডিগ্রি কলেজপাড়া এলাকার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হারেজ উদ্দীনের ছেলে।

গাংনী থানার ওসি হরেন্দনাথ সরকার জানান, রাত পৌনে ২টার দিকে গাঁড়াবাড়িয়া গ্রামের বাথান মাঠ এলাকায় দুদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ হাফিজুল ইসলামকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাফিজুল ইসলাম এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগে গাংনী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী হালিম মণ্ডল (৩৫) নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শহরের হাউসিং ডি ব্লক মাঠে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি নাসির উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি শাটার গান, ১টি পাইপ গান, ৩ রাউন্ড গুলি ও ৮শ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দিবাগদ রাত দেড়টার দিকে নগরীর মরাখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান জানান, রাত দেড়টার দিকে নগরীর মরাখলা এলাকায় মাদক বিক্রেতারা মাদক ভাগাভাগি করছে বলে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক বিক্রেতারা পিছু হটলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইন, ৪টি গুলির খোসা, ২টি রামদা, ১০০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের কথাও জানান ওসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*