খালেদার ‘মুক্তি ও সুচিকিৎসার’ দাবিতে সমাবেশে বিএনপি - Aj SaraBela (আজ সারাবেলা)

খালেদার ‘মুক্তি ও সুচিকিৎসার’ দাবিতে সমাবেশে বিএনপি

প্রকাশিত :২০.০৭.২০১৮, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ

আজ সারাবেলা রিপোর্ট : খালেদা জিয়ার ‘মুক্তি ও সুচিকিৎসার’ দাবিতে ঢাকার নয়া পল্টনে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেই সমাবেশে মিলিত হয়েছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার বিকাল পৌন ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ট্রাকের ওপর বানানো অস্থায়ী মঞ্চ থেকে এই সমাবেশের কার্যক্রম ‍শুরু হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা কাউন্সিলসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা এ সমাবেশে উপস্থিত রয়েছেন।

দীর্ঘ আড়াই বছর পর রাজধানীতে এই সমাবেশ করছে বিএনপি। ঢকা মহানগর পুলিশ ২৩টি শর্তে তাদের এই সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে।

এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজার রায়ের পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।

সেখানে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দাবি করে তাকে মুক্তি দিয়ে ঢাকার বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি।

এই দাবিতে ঢাকা ছাড়াও সারাদেশে মহানগর-জেলা-উপজেলায় একযোগে এই বিক্ষোভ সমাবেশ হচ্ছে বলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন।

শুক্রবারের সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকেই নয়া পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতা-কর্মীদের আনাগোনা শুরু হয়। তবে পুলিশের শর্তের কারণে নেতাকর্মীরা সমাবেশে আসতে শুরু করেন দুপুরে জুমার নামাজের পর।

বেলা আড়াইটার দিকে প্রখর রোদের মধ্যেই নেতা-কর্মীরা ফকিরাপুল থেকে কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই ধারে অবস্থান নেন। তাদের হাতে দেখা যায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ফেস্টুন ও ব্যানার।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতেও শোনা যায় নেতাকর্মীদের। সমাবেশ শুরুর পরপরই শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি নয়া পল্টনে সমাবেশ করে বিএনপি; সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
আদালতের সাজায় তিনি কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও নয়া পল্টনে সমাবেশ করার জন্য বেশ কয়েকবার অনুমতি চেয়েও ব্যর্থ হয়।

এবার বিএনপিকে সমাবেশের জন্য ২৩টি শর্ত দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে।

কর্মসূচির কার্যক্রম বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সীমাবদ্ধ রাখা, রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ না করা; মিছিল করে সমাবেশস্থলে যাওয়া না যাওয়া; কর্মসূচির ভেতরে ও বাইরে সিসি ক্যামেরা বসানো; নির্ধারিত স্থানের বাইরে মাইক ব্যবহার না করা, উসকানিমূলক বক্তব্য বা প্রচারপত্র বিলি না করা, লাঠি-সোঁটা বা রড বহন না করা এবং বিকাল ৫টার মধ্যে কর্মসূচির যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করার কথা বলা হয়েছে সেখানে।

এই সমাবেশ ঘিরে নয়া পল্টন সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আজসারাবেলা/সংবাদ/রই/জাতীয়/রাজনীতি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*