ফেসবুকে লিটন দাসকে কটূক্তি : এসব বন্ধেই সাইবার সিকিউরিটি আইন - Aj SaraBela (আজ সারাবেলা)

ফেসবুকে লিটন দাসকে কটূক্তি : এসব বন্ধেই সাইবার সিকিউরিটি আইন

প্রকাশিত :০৩.১০.২০১৮, ৫:১৩ অপরাহ্ণ

সারাবেলা রিপোর্ট : বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার লিটন দাসের ফেসবুক পোস্টে একটি ছবির কটূক্তি করার মতো অনলাইনে নোংরামি বন্ধ করতেই সাইবার সিকিউরিটি (ডিজিটাল নিরাপত্তা) আইন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার বিকেল ৪টায় গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালেদীর প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছেলেটা (লিটন দাস) যেভাবে খেলেছে খুবই চমৎকার। তার আউটটি ছিল আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। তাকেও একটি পোস্টের জন্য গালিগালাজ করা হয়েছে। এগুলো মোকাবেলায় সাইবার সিকিউরিটি আইন করা হয়েছে। সমগ্র বিশ্বে এ ধরনের সাইবার হামলা সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যা সৃষ্টি করছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। যারা এ ধরনের মন্তব্য করেছে তারা বিকৃতমনা। তাদের রুখতে সমাজের সবাইকে বিশেষ করে সাংবাদিকদেরকেও ভূমিকা রাখতে হবে।

সম্প্রতি লিটন দাস তার ভেরিফাইড পেইজে দুর্গাপূজার আগাম শুভেচ্ছা দিয়ে হিন্দুদের দেবির ছবি প্রকাশ করেন। ছবিটি আপলোড করার পর থেকে তাকে উদ্দেশ্য করে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানো অসংখ্য মেসেজ এবং কমেন্ট করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর লিটন দাস তার পোস্ট থেকে ছবিটি মুছে দেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগদানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তাহব্যাপী সরকারি সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংবাদ সম্মেলনে এ সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর বেশ কিছু প্রাপ্তিসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক ও তার ফলাফল বিস্তারিত তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা, এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালজুলেইদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেইওর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া সংবর্ধনা সভায়ও যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট, সাইবার নিরাপত্তা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী শিক্ষা এবং বৈশ্বিক মাদকদ্রব্য সমস্যা নিয়ে কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ইন্টার প্রেস সার্ভিস (আইপিএস) প্রদত্ত সম্মানজনক ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয়দানের মাধ্যমে মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করায় তাকে এই পদকে ভূষিত করা হয়। পাশাপাশি দূরদৃষ্টির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলার জন্য গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন-এর পরিচালনা পর্ষদ তাকে ‘২০১৮ স্পেশাল রিকগনাইজেশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত করে।

আজসারাবেলা/সংবাদ/রই/জাতীয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*