কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বন্ধে সেল গঠন জরুরী - Aj SaraBela (আজ সারাবেলা)
ছবি: প্রতিকী(সংগৃহীত)

কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বন্ধে সেল গঠন জরুরী

প্রকাশিত :১৫.১০.২০১৮, ৭:৩১ অপরাহ্ণ

সারাবেলা রিপোর্ট: কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বন্ধে এ সংক্রান্ত সেল গঠনের দাবি জানিয়েছে নারীবাদী সংগঠনগুলো। স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে যদি এ সেল থাকে তাহলে এ সংক্রান্ত মামলায় আদালতের ওপর থেকে চাপ কমে যাবে। একইসঙ্গে দ্রুত সময়ে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাবে। অন্যদিকে উল্লেখযোগ্য হারে যৌন হয়রানিও কমে যাবে বলে জানিয়েছে সংগঠনগুলো ।

জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সোমবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বক্তারা।

পাঁচটি নারীবাদী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জেন্ডার প্লাটফর্ম ‘কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন ২০১৮’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে । সংগঠনগুলো হলো- বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি, ওশি ফাউন্ডেশন, কর্মজীবী নারী, বিলস ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক সংগঠন ফেয়ার ওয়্যার ফাউন্ডেশন।

ওশি ফাউন্ডেশনের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট নাহিদা আক্তার কনা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বন্ধে সুনির্দিষ্ট আইন জরুরি। বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি হলে এটা বন্ধে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিষ্পত্তি করার কোনো আইন নেই। সর্বোচ্চ আদালত থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশনার বাইরে একটি সুনির্দিষ্ট আইন প্রয়োজন। আইন করা হলে কোনো ভুক্তভোগীকে আদালতে বছরের পর বছর দৌড়াতে হবে না। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যেই ন্যায়বিচার পাবে।

যৌন হয়রানি বন্ধে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে সেল গঠনের দাবি জানান ফেয়ার ওয়্যার ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ বাবলুর রহমান। তিনি বলেন, সব প্রতিষ্ঠানে এই সেল থাকলে যৌন হয়রানি যেমন বন্ধ হবে, একইসঙ্গে এটা কমে যাবে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কর্মক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হয়রানি প্রতিকূল অবস্থার তৈরি করে, যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসঙ্গে যৌন হয়রানি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। এরপরও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন তৈরি হচ্ছে না। ২০০৯ সালে সর্বোচ্চ আদালতের এক নির্দেশনায় বলা হয়, সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি বন্ধ করতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে। দেশে কোনো নির্দিষ্ট আইন না থাকায় আদালতের ওই নির্দেশনাকেই আইন হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে। এখন সময় এসেছে এ সংক্রান্ত একটি আইন করার।

ওশি ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন সাকী রোজোয়ান, বিলসের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ও পরিচালক নাজমা ইয়াসমিন, মহিলা আইনজীবী সমিতির পরিচালক অ্যাডভোকেট তৌহিদা খন্দকার প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আজসারাবেলা/সংবাদ/মারুফ/জাতীয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*