ব্যথানাশক ওষুধ নাকি ফিজিওথেরাপি

সারাবেলা ডেস্ক: এ যুগে হরহামেশাই বিভিন্ন আসক্তির কথা শোনা যায়। ভিডিও গেমস আসক্তি, মাদক আসক্তি, স্মার্টফোন আসক্তি ইত্যাদি।

নতুন যে আসক্তির কথা রোগীদের মাঝে শোনা যায়, তা হল পেইন কিলার বা ব্যথানাশক আসক্তি।

যারা দীর্ঘদিন কোমর, ঘাড়, হাঁটু, কাঁধ ইত্যাদি ব্যথায় ভোগেন তাদের মধ্যে এই আসক্তি দেখা যায়। ব্যথার একটি বড়ি খেলেই যখন আরাম পাওয়া যায় তখন এই আসক্তি হওয়ারই কথা।

ব্যথানাশক ওষুধ আমাদের ব্যথা কমানের সঙ্গে সঙ্গে আর কী কী ক্ষতি করে তা অনেকেই জানেন না। জানলেও সময় বা গাফিলতির কারণে বিকল্প চিকিৎসা না করিয়ে ব্যথানাশকই গ্রহণ করতে থাকেন।

ব্যথানাশক কী ক্ষতি করে

প্রায় সব ব্যথানাশক গ্যাস্ট্রিক আলসার তৈরি করে বা এর মাত্রা বৃদ্ধি করে। দ্বিতীয়ত এটি কিডনির ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। দীর্ঘদিন সেবনে কিডনি বিকলও হতে পারে। তৃতীয়ত উচ্চ রক্তচাপ কিডনি সমস্যা বা বহুমূত্র রোগীর জন্য চিকিৎসকরা ব্যথানাশক ব্যবহারে সতর্ক থাকেন।

বিকল্প কী আছে

ব্যথার চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপির জুড়ি মেলা ভার। এটি পৃথিবীতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়ে থাকে।

কথা হল কী ধরনের ফিজিওথেরাপি ব্যথার চিকিৎসায় কার্যকর? এর উত্তর সোজা নয়। ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার কার্যকারিতা নির্ভর করে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের ওপর।

এখন যত্রতত্র এই চিকিৎসা পাওয়া যায়, এর সবই আসল ফিজিওথেরাপি নয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় সেরাজেমকেও মানুষ থেরাপি বলছে।
সেরাজেম ফিজিওথেরাপি তো নয়ই, এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের কোনো অংশই নয়। অনেকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ সেজে বসে আছেন, যারা আদৌ এই সেবাই প্রদান করার লাইসেন্স বা অধিকার রাখেন না।

আজসারাবেলা/সংবাদ/ইআর/স্বাস্থ্য