সংকট ও প্রতিকারের উপায় নিয়ে ভাবা উচিৎ

আফজাল হোসেন

সামনে বাংলা নববর্ষ। ঝলমলে রঙিন, সুখময় এক নতুন বছর কাটানোর সাধ প্রানে প্রানে। আনন্দময় উদযাপনের জন্য ঘরে বাইরে কতরকমের প্রস্তুতি চলছে।

উজ্জ্বল নকশার শাড়ি, মনোহর পান্জাবি পরে আলপনা আঁকা পথে হেঁটে মানুষ মিলিত হতে যাবে মঙ্গল শোভাযাত্রায়। মাথায় পরা থাকবে ফুলমুকুট গালে বাহাতে আঁকাবে আলপনা।

পাতার বদলে প্লাস্টিকের বাঁশি, খেলনা ডুগডুগি আর একতারা বাজিয়ে অজস্রজনের আনন্দপ্রকাশে দিনটা হয়ে উঠবে সাধারণ জীবনের অসাধারণ একটা দিন। তারপর দিনটা গেলে বছরের প্রতিটা দিন কিসের চর্চ্চা আর কি কি অনুশীলন চলবে?

মাত্র গতকাল খুবই বেদনা ও বিস্ময়ের সাথে এক নিকটজনকে বলতে শুনলাম- গৃহকর্মীরা টেলিভিশন ধারাবাহিক দেখে দেখে অনেক বাংলা শব্দ আর উচ্চারণ করে না। যেমন, এখন ডাইনি চরিত্রকে তারা বলে ডায়ান।

মাত্র গতকাল খুবই বেদনা ও বিস্ময়ের সাথে এক নিকটজনকে বলতে শুনলাম- গৃহকর্মীরা টেলিভিশন ধারাবাহিক দেখে দেখে অনেক বাংলা শব্দ আর উচ্চারণ করে না। যেমন, এখন ডাইনি চরিত্রকে তারা বলে ডায়ান।

সাথে সাথে আর একজনকে বলতে শুনি- আজ সকালবেলা আমার পাশের বাড়িতে এয়ারকন্ডিশনার লাগাতে আসা তিনজনের মধ্যে দুজনকে দেখলাম দড়িতে ঝুলছে। তাদের মোবাইল ফোনে জোরেসোরে বেঁজে চলেছে হিন্দি গান।

গলা মিলিয়ে সেই গান গাইতেও শোনা গেলো।

আজকাল বহু মানুষকে প্রায়ই পাকিস্তানের টেলিভিশনের জন্য নির্মিত ধারাবাহিক নাটকগুলো নিয়ে আলাপ করতে শুনি। আলাপ মানে অবশ্যই প্রশংসা।

এইসব ঘটনা শুনে একে তাকে গালি দিয়ে দায় সারায় বিন্দুমাত্র বীরত্ব নেই। লোক দেখানো দায়িত্ব কর্তব্য বাদ দিয়ে সংকট কি, কেনো এবং প্রতিকারের উপায় নিয়ে ভাবা উচিৎ।

লেখক: অভিনেতা, নির্মাতা ও কথাসাহিত্যিক

আজসারাবেলা/কলাম/রই/