সাকিবের নিস্তার নেই যে রেকর্ড থেকে

সারাবেলা রিপোর্ট :সাকিব ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত ১৯৭ ম্যাচে ৫৬৬৭ রানের পাশাপাশি ২৪৯ উইকেট নিয়েছেন।

অর্থাৎ রাজ্জাকের রেকর্ডটি নিজের করে নিতে হাতে যথেষ্ট সময়ই পাচ্ছেন দেশসেরা এ অলরাউন্ডার। তবে সাকিব উইকেট নিতে খুব বেশি দেরি করেন না। ওয়ানডেতে তাঁর ২৯.৬৯ বোলিং গড় ও ৪০.২ স্ট্রাইকরেট সে কথাই বলে। অলৌকিক কিছু না ঘটলে দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে এই রেকর্ড আজ হোক কাল হোক—সাকিবেরই যে হচ্ছে তা বুঝতে পণ্ডিত হওয়ার দরকার নেই।

ওয়ানডেতে আফ্রিদি ২৫০তম উইকেট নিয়েছেন ২১৩তম ম্যাচে এসে। তখন তাঁর রান ছিল ৪০২৪। ক্যারিয়ারের ২৬৫তম ওয়ানডেতে ৫ হাজার রানের দেখা পান পাকিস্তানের সাবেক এ অলরাউন্ডার। লঙ্কান কিংবদন্তি জয়াসুরিয়া ৩৪৩তম ম্যাচে পেয়েছেন ২৫০তম উইকেটের দেখা। তখন তাঁর রান অবশ্য ১১ হাজার পেরিয়ে গেছে। আর ক্যালিস ২৭৮তম ম্যাচে এসে পেয়েছেন ২৫০ উইকেটের দেখা। প্রোটিয়াদের সাবেক এ অলরাউন্ডারের রানসংখ্যা তত দিনে ১০ হাজার পেরিয়ে গেছে।

দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে ৫০০০ রান ও ২৫০ উইকেটের মাইলফলক গড়তে আর মাত্র এক উইকেট চাই সাকিব আল হাসানের ।

বেশ আগে থেকেই বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা ক্রিকেটার। অর্জনের মুকুটে এমন সব পালক আছে যা অনেক বাঘা বাঘা ক্রিকেটারেরও নেই। ত্রিদেশীয় সিরিজেও তাঁকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে বড় একটি রেকর্ড। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পরের ম্যাচে চাই আর একটি উইকেট। সে ম্যাচে না হলেও সমস্যা নেই। ফাইনাল তো আছেই! তবে ফাইনালে না পেলেও সমস্যা নেই। দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে রেকর্ডটি নতুন করে লেখাতে সাকিব চাইলে বেশ কিছু ম্যাচে দম নিতে পারেন। ম্যাচসংখ্যার হিসেবে ‘মাত্র’ ৬১, যা করার এর আগেই করতে হবে।

ধু সমর্থকেরা কেন, সাকিব নিজেও ভ্রুকুটি তুলতে পারেন। দেশের হয়ে খেলতে নেমে দম নেওয়া আবার কী! আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পরের ম্যাচটা আনুষ্ঠানিকতার হলেও তারপরই তো ফাইনাল। আর বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও নিতে হবে। সাকিব তাই পরের ম্যাচেই যে রেকর্ডটি বগলদাবা করতে মরিয়া থাকবেন, তা বলাই বাহুল্য। ও, আসল কথাই বলা হয়নি। রেকর্ডটি হলো ওয়ানডেতে দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে ৫০০০ রান ও ২৫০ উইকেট নেওয়ার মাইলফলক, সাকিব যেখান থেকে আর মাত্র ১ উইকেট দূরে।

ওয়ানডেতে ন্যূনতম ৫০০০ রানের সঙ্গে ২৫০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি বেশি নেই। এর আগে মাইলফলকটির দেখা পেয়েছেন মাত্র চার ক্রিকেটার। চারজনই সাবেক—শহীদ আফ্রিদি, সনাথ জয়াসুরিয়া, জ্যাক ক্যালিস ও আবদুর রাজ্জাক। এই চার ক্রিকেটারের মধ্যে ম্যাচসংখ্যায় দ্রুততম রেকর্ডটি আপাতত রাজ্জাকের দখলে। ক্যারিয়ারের ২৫৯তম ম্যাচে এই মাইলফলকের দেখা পেয়েছিলেন পাকিস্তানের সাবেক এ অলরাউন্ডার। সেই ম্যাচে রাজ্জাক ৫০০০ রানের মাইলফলক ছুঁলেও ২৫০ উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন ক্যারিয়ারের ২৫০তম ম্যাচে।

সাকিব ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত ১৯৭ ম্যাচে ৫৬৬৭ রানের পাশাপাশি ২৪৯ উইকেট নিয়েছেন। অর্থাৎ রাজ্জাকের রেকর্ডটি নিজের করে নিতে হাতে যথেষ্ট সময়ই পাচ্ছেন দেশসেরা এ অলরাউন্ডার। তবে সাকিব উইকেট নিতে খুব বেশি দেরি করেন না। ওয়ানডেতে তাঁর ২৯.৬৯ বোলিং গড় ও ৪০.২ স্ট্রাইকরেট সে কথাই বলে। অলৌকিক কিছু না ঘটলে দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে এই রেকর্ড আজ হোক কাল হোক—সাকিবেরই যে হচ্ছে তা বুঝতে পণ্ডিত হওয়ার দরকার নেই।

ওয়ানডেতে আফ্রিদি ২৫০তম উইকেট নিয়েছেন ২১৩তম ম্যাচে এসে। তখন তাঁর রান ছিল ৪০২৪। ক্যারিয়ারের ২৬৫তম ওয়ানডেতে ৫ হাজার রানের দেখা পান পাকিস্তানের সাবেক এ অলরাউন্ডার। লঙ্কান কিংবদন্তি জয়াসুরিয়া ৩৪৩তম ম্যাচে পেয়েছেন ২৫০তম উইকেটের দেখা। তখন তাঁর রান অবশ্য ১১ হাজার পেরিয়ে গেছে। আর ক্যালিস ২৭৮তম ম্যাচে এসে পেয়েছেন ২৫০ উইকেটের দেখা। প্রোটিয়াদের সাবেক এ অলরাউন্ডারের রানসংখ্যা তত দিনে ১০ হাজার পেরিয়ে গেছে।

আজ সারাবেলা/সংবাদ/মুনা/খেলাধুলা

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.